০১:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঝিকরগাছার কপোতাক্ষ নদীতে ভেসে থাকা ক্লু-লেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন : গ্রেফতার-২

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৪৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৮

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের ঝিকরগাছার গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের গঙ্গানন্দপুর পূর্বপাড়া জনৈক মারুফ মল্লিক এর ব্রয়লার ফার্মের পিছনে কপোতক্ষ নদীতে গত ২২ আগষ্ট সকাল সাড়ে ৯টায় একটি মৃতদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঝিকরগাছা থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়।

থানা পুলিশ উক্ত স্থানে গিয়ে মৃতদেহটি পানি থেকে তুললে পরিবারের লোকজন তাকে চৌগাছা উপজেলার স্বরুপদাহ ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের সানাউল হোসেনের ছেলে মোঃ ইখলাসের বলে শনাক্ত করে।

তার পরিবারের লোকজন জানায় গত ১৯ আগষ্ট তারিখ সকাল সাড়ে ৮টার সময় ইখলাস ভ্যান নিয়ে ভাড়ায় বের হয়। সে বাড়ীতে না ফেরায় পরিবারের সদস্য চৌগাছা থানাতে ২০ আগষ্ট একটি জিডি করেন। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির নামে মামলা দায়ের করেন।

নাভারন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আরিফ হোসের এর নেতৃত্বে ঝিকরগাছা থানার ওসি তদন্ত মোঃ ইদ্রিস আলী ও উক্ত মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই(নিঃ) মোল্লা রেজাউল করিমসহ একটি চৌকস টিম ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করেন।

তদন্তকালে ২৩ আগষ্ট তারিখ সন্ধিগ্ধ আসামী গঙগানন্দপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে মোঃ মেহেদী হাসান (২৯) কে কোতয়ালী থানাধীন ঝাউদিয়া গ্রাম হতে গ্রেফতার করেন। তার দেওয়া তথ্য মতে অন্য আসামী বিষহরি গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে আশরাফুল আলম (২১)কে ঝিকরগাছা থানাধীন গঙ্গানন্দপুর এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর উভয় আসামী মোঃ ইখলাস এর হত্যার কথা অকপটে স্বীকার করে এবং তাদের দেওয়া তথ্য মতে লুকিয়ে রাখা স্থান হতে মোঃ ইখলাস এর ভ্যানটি উদ্ধার করা হয়। আসামীরা বলে ভিকটিমের ভ্যানটি নিজেদের দখলে নিয়ে বিক্রয় করে অর্থ লাভের উদ্দেশ্যে কোমল পানীয়তে চেতনানাশক ঔষুধ মিশিয়ে, তাকে পান করিয়ে, গলায় ফাঁস দিয়ে ও পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে এবং মৃতদেহটি গোপন করার জন্য ০৪ টি ইট বেঁধে কপোতক্ষ নদীতে ডুবিয়ে দেয়।

আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

ঝিকরগাছার কপোতাক্ষ নদীতে ভেসে থাকা ক্লু-লেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন : গ্রেফতার-২

আপডেট: ০৮:৪৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের ঝিকরগাছার গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের গঙ্গানন্দপুর পূর্বপাড়া জনৈক মারুফ মল্লিক এর ব্রয়লার ফার্মের পিছনে কপোতক্ষ নদীতে গত ২২ আগষ্ট সকাল সাড়ে ৯টায় একটি মৃতদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঝিকরগাছা থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়।

থানা পুলিশ উক্ত স্থানে গিয়ে মৃতদেহটি পানি থেকে তুললে পরিবারের লোকজন তাকে চৌগাছা উপজেলার স্বরুপদাহ ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের সানাউল হোসেনের ছেলে মোঃ ইখলাসের বলে শনাক্ত করে।

তার পরিবারের লোকজন জানায় গত ১৯ আগষ্ট তারিখ সকাল সাড়ে ৮টার সময় ইখলাস ভ্যান নিয়ে ভাড়ায় বের হয়। সে বাড়ীতে না ফেরায় পরিবারের সদস্য চৌগাছা থানাতে ২০ আগষ্ট একটি জিডি করেন। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির নামে মামলা দায়ের করেন।

নাভারন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আরিফ হোসের এর নেতৃত্বে ঝিকরগাছা থানার ওসি তদন্ত মোঃ ইদ্রিস আলী ও উক্ত মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই(নিঃ) মোল্লা রেজাউল করিমসহ একটি চৌকস টিম ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করেন।

তদন্তকালে ২৩ আগষ্ট তারিখ সন্ধিগ্ধ আসামী গঙগানন্দপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে মোঃ মেহেদী হাসান (২৯) কে কোতয়ালী থানাধীন ঝাউদিয়া গ্রাম হতে গ্রেফতার করেন। তার দেওয়া তথ্য মতে অন্য আসামী বিষহরি গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে আশরাফুল আলম (২১)কে ঝিকরগাছা থানাধীন গঙ্গানন্দপুর এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর উভয় আসামী মোঃ ইখলাস এর হত্যার কথা অকপটে স্বীকার করে এবং তাদের দেওয়া তথ্য মতে লুকিয়ে রাখা স্থান হতে মোঃ ইখলাস এর ভ্যানটি উদ্ধার করা হয়। আসামীরা বলে ভিকটিমের ভ্যানটি নিজেদের দখলে নিয়ে বিক্রয় করে অর্থ লাভের উদ্দেশ্যে কোমল পানীয়তে চেতনানাশক ঔষুধ মিশিয়ে, তাকে পান করিয়ে, গলায় ফাঁস দিয়ে ও পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে এবং মৃতদেহটি গোপন করার জন্য ০৪ টি ইট বেঁধে কপোতক্ষ নদীতে ডুবিয়ে দেয়।

আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।