০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্ববাজারে বাড়ছে বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদা, জুলাই-আগস্টে রপ্তানি আয় ৭৫০ কোটি ডলার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৯

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের চাহিদা বাড়ছে। এর ফলে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের পোশাক রপ্তানি খাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৭৫০ কোটি (৭.৫০ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৭১৩ কোটি (৭.১৩ বিলিয়ন) ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫.১২ শতাংশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে দেশের তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয়ে এ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

বছরভিত্তিক হিসাবেও আগস্টে পোশাক রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ২০২৫ সালের আগস্টে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ৩১৭ কোটি (৩.১৭ বিলিয়ন) ডলারের। চলতি বছরের আগস্টে তা ১৩.৯২ শতাংশ বেড়ে ৩৬১ কোটি (৩.৬১ বিলিয়ন) ডলারে দাঁড়িয়েছে।

পোশাক খাতের উপ-খাতগুলোর মধ্যে নিটওয়্যার রপ্তানিতে তুলনামূলক বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০২৬ সালের আগস্টে নিটওয়্যার খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২০৩ কোটি (২.০৩ বিলিয়ন) ডলার, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ১৪.৮৮ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে, একই সময়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি ১২.৭০ শতাংশ বেড়ে ১৫৭ কোটি (১.৫৭ বিলিয়ন) ডলারে দাঁড়িয়েছে।

তৈরি পোশাক খাতের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। ‘বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েস’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, নিট ও ওভেন—দুই খাতেই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রতি বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা এবং এ খাতের টেকসই সক্ষমতার প্রতিফলন।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রাখতে হলে বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং পোশাক খাতের সামগ্রিক সক্ষমতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিশ্ববাজারে বাড়ছে বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদা, জুলাই-আগস্টে রপ্তানি আয় ৭৫০ কোটি ডলার

আপডেট: ০১:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের চাহিদা বাড়ছে। এর ফলে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের পোশাক রপ্তানি খাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৭৫০ কোটি (৭.৫০ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৭১৩ কোটি (৭.১৩ বিলিয়ন) ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫.১২ শতাংশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে দেশের তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয়ে এ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

বছরভিত্তিক হিসাবেও আগস্টে পোশাক রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ২০২৫ সালের আগস্টে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ৩১৭ কোটি (৩.১৭ বিলিয়ন) ডলারের। চলতি বছরের আগস্টে তা ১৩.৯২ শতাংশ বেড়ে ৩৬১ কোটি (৩.৬১ বিলিয়ন) ডলারে দাঁড়িয়েছে।

পোশাক খাতের উপ-খাতগুলোর মধ্যে নিটওয়্যার রপ্তানিতে তুলনামূলক বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০২৬ সালের আগস্টে নিটওয়্যার খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২০৩ কোটি (২.০৩ বিলিয়ন) ডলার, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ১৪.৮৮ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে, একই সময়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি ১২.৭০ শতাংশ বেড়ে ১৫৭ কোটি (১.৫৭ বিলিয়ন) ডলারে দাঁড়িয়েছে।

তৈরি পোশাক খাতের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। ‘বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েস’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, নিট ও ওভেন—দুই খাতেই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রতি বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা এবং এ খাতের টেকসই সক্ষমতার প্রতিফলন।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রাখতে হলে বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং পোশাক খাতের সামগ্রিক সক্ষমতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।