০৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নড়াইলের তুলারামপুর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শিহাবুর রহমান শিহাব

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:২৫:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • /

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল সদর উপজেলার ৬ নং তুলারামপুর ইউনিয়নকে সদর উপজেলার মধ্যে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছেন জেলা যুবদলের সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা শিহাবুর রহমান শিহাব।

তাঁর মেধা, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও জনগনের কল্যাণে কাজ করার অদম্য ইচ্ছের ধারে কাছেও নেই ইউনিয়নের কোন চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীর, এমনটাই অভিমত এলাকার সাধারন মানুষের।

সরেজমিনে এলাকাঘুরে ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শিহাবুর রহমান শিহাবের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় উঠে এসেছে তার জীবনের না জানা অনেক কিছু।

শিহাবুর রহমান জানান, তিনি তুলারামপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড তুলারামপুর গ্রামে ১৯৭৭ সালের ১৬ ই জুলাই সেনা কর্মকর্তা হাজ্বী এম এ খালেক ও মা হেনা বেগমের ঘরে জন্মগ্রহন করেন। তিনি ১৯৯৩ সালে তুলারামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে স্ট্যার মার্ক নিয়ে এস এসসি পাশ করেন।

১৯৯৫ সালে যশোহর ক্যান্টমেন্ট কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করে ১৯৯৭ সালে খুলনা বি এল কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করেন।

ছাত্র জীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের রাজনীতিতে যুক্তহন।

১৯৯২-১৯৯৩ সালে ইউনিয়ন ছাত্র দলের সেক্রেটারীর দায়ীত্ব পালন করেছেন।

১৯৯৬ সালে সরাসরি ভোটে তুলারামপুর ইউনিয়ন ছাত্র দলের সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি, সদর থানা যুব দলের যুগ্ন আহবায়ক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক, থানা যুবদলের আহবায়ক, ২০১১ সালে জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২০১৮ সালে পূনরায় একই পদে অদ্যবধি দায়ীত্বে রয়েছেন।

বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের শাসন আমলে তাঁর বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক ভাবে
১২ টি সাধারণ ডায়েরি করেছিল তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা।

তারমধ্যে একটিতে দের বছরের সাজা হয় তার।
এছাড়াও ফ্যাসিষ্টের দোষররা ১৭টি নাশকতা মামলা দিয়ে তাকে ১৭ বার কারাগারে পাঠিয়েছে। প্রায় এক হাজার দিন তিনি জেলে কাটিয়েছেন।

তবুও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতি ছাড়েন নি।আরও শক্তভাবে আকড়ে ধরেছেন।

জুলাই আন্দোলনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন করেছেন। নেতা কর্মীদের মনোবল ধরে রাখতে কখনও রাজনীতির মাঠ ছেড়ে যাননি।

৫ ই আগস্ট পতিত স্বৈরাচার দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর তার ইউনিয়নের হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা গুলোতে কোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে দেননি।হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের আগলে রেখেছেন।

অভয় দিয়েছেন।নির্ঘুম থেকে রাত জেগে পাহারা দিয়েছেন। যাতে কেউ তাদের ক্ষতি করতে না পারে।

সুযোগ সন্ধানীরা পতিত স্বৈরাচারের অনেক নেতার বাড়ি হামলা ভাঙচুর লুটপাট করার চেষ্টা করলেও শক্তহাতে তা দমন করেছেন।

এই কারনে অনেক সুযোগ সন্ধানীর চোখের কাটা হয়েছেন।এসব কিছুই পরোয়া করেন নি।তিনি তার নীতি আদর্শে অটল থেকেছেন।

তুলারামপুর ইউনিয়নে বি এনপি’কে সুসংগঠিত রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, ইউনিয়ন বি এন পি’র কার্যালয় নির্মাণ, মিতনা মন্দিরের দর্শনার্থীদের জন্য টিউবঅয়েল, বেনহাটি মন্দিরে সাব মার্সিবল স্থাপনে ১০ হাজার টাকা অনুদান এবং দীর্ঘদিন জল কাদায় একাকার হয়ে থাকা মন্দির প্রাঙ্গনে ২৫ গাড়ি বালু ফেলে সংস্কার, হরিতলা মন্দিরে ১২০ ফুট ইটের সলিংয়ের কাজে সহায়তা,বেনহাটি বড় মন্দির ও চর মালি ডাঙ্গায় ২০ টি করে চেয়ার দেয়া ,বেতেঙ্গা রাস্তায় চলাচলের উপযোগী করতে রাবিশ দিয়ে রাস্তা মেরামত,তুলারামপুর মহাসড়কের পাশে নিজ অর্থায়নে ড্রেনের উপর ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙ্গা স্লাবের যায়গায় নতুন করে স্লাব তৈরি করে বসিয়েছেন।

আগামী প্রজন্মকে নেশার ভয়াবহ ছোবল থেকে বাঁচাতে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল মাদ্রাসায় ৩০ টি ফুটবল প্রদান সহ প্রতিদিন অসংখ্য কাজ করে যাচ্ছেন।

মাদক, সন্ত্রাসমুক্ত, আধুনিক তুলারামপুর ইউনিয়ন গড়তে আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জয়ী হতে ইউনিয়নের সকলের কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ চেয়েছেন তিনি।

এলাকার সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জননেতা শিহাবুর রহমান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় এলাকায় বইছে আনন্দ উল্লাস।
চায়ের দোকান থেকে হাট বাজার সর্বত্র চলছে আলোচনা।

শিহাবুর রহমানের পক্ষে জনমত গঠনের জন্য ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কাজে নেমে পড়েছে এলাকার সাধারণ ভোটাররা।তারা যোগ্য প্রার্থী হিসেবে শিহাবুর রহমানকে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

নড়াইলের তুলারামপুর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শিহাবুর রহমান শিহাব

আপডেট: ০৬:২৫:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল সদর উপজেলার ৬ নং তুলারামপুর ইউনিয়নকে সদর উপজেলার মধ্যে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছেন জেলা যুবদলের সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা শিহাবুর রহমান শিহাব।

তাঁর মেধা, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও জনগনের কল্যাণে কাজ করার অদম্য ইচ্ছের ধারে কাছেও নেই ইউনিয়নের কোন চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীর, এমনটাই অভিমত এলাকার সাধারন মানুষের।

সরেজমিনে এলাকাঘুরে ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শিহাবুর রহমান শিহাবের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় উঠে এসেছে তার জীবনের না জানা অনেক কিছু।

শিহাবুর রহমান জানান, তিনি তুলারামপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড তুলারামপুর গ্রামে ১৯৭৭ সালের ১৬ ই জুলাই সেনা কর্মকর্তা হাজ্বী এম এ খালেক ও মা হেনা বেগমের ঘরে জন্মগ্রহন করেন। তিনি ১৯৯৩ সালে তুলারামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে স্ট্যার মার্ক নিয়ে এস এসসি পাশ করেন।

১৯৯৫ সালে যশোহর ক্যান্টমেন্ট কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করে ১৯৯৭ সালে খুলনা বি এল কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করেন।

ছাত্র জীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের রাজনীতিতে যুক্তহন।

১৯৯২-১৯৯৩ সালে ইউনিয়ন ছাত্র দলের সেক্রেটারীর দায়ীত্ব পালন করেছেন।

১৯৯৬ সালে সরাসরি ভোটে তুলারামপুর ইউনিয়ন ছাত্র দলের সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি, সদর থানা যুব দলের যুগ্ন আহবায়ক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক, থানা যুবদলের আহবায়ক, ২০১১ সালে জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২০১৮ সালে পূনরায় একই পদে অদ্যবধি দায়ীত্বে রয়েছেন।

বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের শাসন আমলে তাঁর বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক ভাবে
১২ টি সাধারণ ডায়েরি করেছিল তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা।

তারমধ্যে একটিতে দের বছরের সাজা হয় তার।
এছাড়াও ফ্যাসিষ্টের দোষররা ১৭টি নাশকতা মামলা দিয়ে তাকে ১৭ বার কারাগারে পাঠিয়েছে। প্রায় এক হাজার দিন তিনি জেলে কাটিয়েছেন।

তবুও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতি ছাড়েন নি।আরও শক্তভাবে আকড়ে ধরেছেন।

জুলাই আন্দোলনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন করেছেন। নেতা কর্মীদের মনোবল ধরে রাখতে কখনও রাজনীতির মাঠ ছেড়ে যাননি।

৫ ই আগস্ট পতিত স্বৈরাচার দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর তার ইউনিয়নের হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা গুলোতে কোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে দেননি।হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের আগলে রেখেছেন।

অভয় দিয়েছেন।নির্ঘুম থেকে রাত জেগে পাহারা দিয়েছেন। যাতে কেউ তাদের ক্ষতি করতে না পারে।

সুযোগ সন্ধানীরা পতিত স্বৈরাচারের অনেক নেতার বাড়ি হামলা ভাঙচুর লুটপাট করার চেষ্টা করলেও শক্তহাতে তা দমন করেছেন।

এই কারনে অনেক সুযোগ সন্ধানীর চোখের কাটা হয়েছেন।এসব কিছুই পরোয়া করেন নি।তিনি তার নীতি আদর্শে অটল থেকেছেন।

তুলারামপুর ইউনিয়নে বি এনপি’কে সুসংগঠিত রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, ইউনিয়ন বি এন পি’র কার্যালয় নির্মাণ, মিতনা মন্দিরের দর্শনার্থীদের জন্য টিউবঅয়েল, বেনহাটি মন্দিরে সাব মার্সিবল স্থাপনে ১০ হাজার টাকা অনুদান এবং দীর্ঘদিন জল কাদায় একাকার হয়ে থাকা মন্দির প্রাঙ্গনে ২৫ গাড়ি বালু ফেলে সংস্কার, হরিতলা মন্দিরে ১২০ ফুট ইটের সলিংয়ের কাজে সহায়তা,বেনহাটি বড় মন্দির ও চর মালি ডাঙ্গায় ২০ টি করে চেয়ার দেয়া ,বেতেঙ্গা রাস্তায় চলাচলের উপযোগী করতে রাবিশ দিয়ে রাস্তা মেরামত,তুলারামপুর মহাসড়কের পাশে নিজ অর্থায়নে ড্রেনের উপর ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙ্গা স্লাবের যায়গায় নতুন করে স্লাব তৈরি করে বসিয়েছেন।

আগামী প্রজন্মকে নেশার ভয়াবহ ছোবল থেকে বাঁচাতে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল মাদ্রাসায় ৩০ টি ফুটবল প্রদান সহ প্রতিদিন অসংখ্য কাজ করে যাচ্ছেন।

মাদক, সন্ত্রাসমুক্ত, আধুনিক তুলারামপুর ইউনিয়ন গড়তে আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জয়ী হতে ইউনিয়নের সকলের কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ চেয়েছেন তিনি।

এলাকার সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জননেতা শিহাবুর রহমান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় এলাকায় বইছে আনন্দ উল্লাস।
চায়ের দোকান থেকে হাট বাজার সর্বত্র চলছে আলোচনা।

শিহাবুর রহমানের পক্ষে জনমত গঠনের জন্য ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কাজে নেমে পড়েছে এলাকার সাধারণ ভোটাররা।তারা যোগ্য প্রার্থী হিসেবে শিহাবুর রহমানকে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী করবেন।