০৩:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়ার ৪ সুপার এজেন্ট আটক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • /

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে অনলাইন জুয়ার বিভিন্ন অ্যাপ ও অবৈধ সিম ব্যবহার করে ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন, ই-ট্রানজেকশনে ব্যবহৃত ৫৫টি সিম ও নগদ ৫৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, রোববার দিবাগত রাত ৫টা ১০ মিনিটের দিকে যশোর শহরের উপশহর এলাকার বাবলাতলা মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডে অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ার সাইট পরিচালনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাপস কুমার (২৪) ও তুষার শিকদার (২৪) নামে দুজনকে আটক করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন যশোর কোতয়ালী মডেল থানার উপশহর ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। তার সঙ্গে ক্যাম্পের কর্মকর্তা ও ফোর্সের সদস্যরা ছিলেন।

পুলিশের দাবি, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে তাপস ও তুষার স্বীকার করেন, তারা সহযোগীদের নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদনবিহীন বিভিন্ন ভার্চুয়াল কারেন্সি ও পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেন করে আসছিলেন। এসব লেনদেনে অনলাইন জুয়ার বিভিন্ন সাইট ও অ্যাপ ব্যবহার করা হতো বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আটক দুজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর-২০২৬) সকাল ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে যশোর শহরের ঘোপ-নওয়াপাড়া রোডে মোহাম্মদ আলী মন্ডলের ৮২১ নম্বর বাসার তৃতীয় তলার উত্তর পাশের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মোছা. সাদিয়া ইসলাম সুইটি (২৩) ও ইসরাত জাহান তৃপ্তি (২০) নামে আরও দুজনকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, ওই ফ্ল্যাট থেকে ১০টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন, ই-ট্রানজেকশনের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন কোম্পানির ৫৫টি সিম এবং নগদ ৫৭ হাজার টাকা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।

আটক চারজন হলেন—মাগুরার শালিখা উপজেলার গোয়ালখালী গ্রামের তপন কুমারের ছেলে তাপস কুমার (২৪), মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার নয়াকান্দি গ্রামের তাপস শিকদারের ছেলে তুষার শিকদার (২৪), যশোরের কোতয়ালী থানার তেঘরিয়া (গোরপাড়া) এলাকার মো. রফিকুল ইসলামের মেয়ে মোছা. সাদিয়া ইসলাম সুইটি (২৩) এবং একই থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার মো. টিপু সুলতানের মেয়ে ইসরাত জাহান তৃপ্তি (২০)।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক চারজনকে সোমবার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

যশোরে পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়ার ৪ সুপার এজেন্ট আটক

আপডেট: ১১:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে অনলাইন জুয়ার বিভিন্ন অ্যাপ ও অবৈধ সিম ব্যবহার করে ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন, ই-ট্রানজেকশনে ব্যবহৃত ৫৫টি সিম ও নগদ ৫৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, রোববার দিবাগত রাত ৫টা ১০ মিনিটের দিকে যশোর শহরের উপশহর এলাকার বাবলাতলা মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডে অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ার সাইট পরিচালনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাপস কুমার (২৪) ও তুষার শিকদার (২৪) নামে দুজনকে আটক করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন যশোর কোতয়ালী মডেল থানার উপশহর ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। তার সঙ্গে ক্যাম্পের কর্মকর্তা ও ফোর্সের সদস্যরা ছিলেন।

পুলিশের দাবি, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে তাপস ও তুষার স্বীকার করেন, তারা সহযোগীদের নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদনবিহীন বিভিন্ন ভার্চুয়াল কারেন্সি ও পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেন করে আসছিলেন। এসব লেনদেনে অনলাইন জুয়ার বিভিন্ন সাইট ও অ্যাপ ব্যবহার করা হতো বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আটক দুজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর-২০২৬) সকাল ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে যশোর শহরের ঘোপ-নওয়াপাড়া রোডে মোহাম্মদ আলী মন্ডলের ৮২১ নম্বর বাসার তৃতীয় তলার উত্তর পাশের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মোছা. সাদিয়া ইসলাম সুইটি (২৩) ও ইসরাত জাহান তৃপ্তি (২০) নামে আরও দুজনকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, ওই ফ্ল্যাট থেকে ১০টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন, ই-ট্রানজেকশনের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন কোম্পানির ৫৫টি সিম এবং নগদ ৫৭ হাজার টাকা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।

আটক চারজন হলেন—মাগুরার শালিখা উপজেলার গোয়ালখালী গ্রামের তপন কুমারের ছেলে তাপস কুমার (২৪), মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার নয়াকান্দি গ্রামের তাপস শিকদারের ছেলে তুষার শিকদার (২৪), যশোরের কোতয়ালী থানার তেঘরিয়া (গোরপাড়া) এলাকার মো. রফিকুল ইসলামের মেয়ে মোছা. সাদিয়া ইসলাম সুইটি (২৩) এবং একই থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার মো. টিপু সুলতানের মেয়ে ইসরাত জাহান তৃপ্তি (২০)।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক চারজনকে সোমবার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।