০৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে ৩ দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থ সহায়তা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:০৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৬

আজাদ হোসেন : চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের নতুন ভান্ডাদহে অগ্নিকাণ্ডে একটি নাপিতের দোকান, একটি ইলেকট্রনিক্সের দোকান ও একটি সার-কীটনাশকের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

আগুনে দোকান তিনটির সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক তারের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানা গেছে।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র সকালেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আগুনে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে খোঁজ নেন।

পরে ক্ষতিগ্রস্ত তিনজনকে তাৎক্ষণিকভাবে ১০ হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

ইউএনও তিথি মিত্র বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। জেলা প্রশাসকের তাৎক্ষণিক উদ্যোগ ও মানবিক সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা আবেদন করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে বিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের একা হয়ে যেতে দেওয়া হবে না। প্রশাসন তাঁদের পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

চুয়াডাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে ৩ দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থ সহায়তা

আপডেট: ১১:০৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজাদ হোসেন : চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের নতুন ভান্ডাদহে অগ্নিকাণ্ডে একটি নাপিতের দোকান, একটি ইলেকট্রনিক্সের দোকান ও একটি সার-কীটনাশকের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

আগুনে দোকান তিনটির সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক তারের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানা গেছে।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র সকালেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আগুনে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে খোঁজ নেন।

পরে ক্ষতিগ্রস্ত তিনজনকে তাৎক্ষণিকভাবে ১০ হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

ইউএনও তিথি মিত্র বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। জেলা প্রশাসকের তাৎক্ষণিক উদ্যোগ ও মানবিক সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা আবেদন করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে বিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের একা হয়ে যেতে দেওয়া হবে না। প্রশাসন তাঁদের পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।