০১:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খুলনা রেঞ্জের নতুন ডিআইজি মো. রেজাউল করিম

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৩১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২২

নিজস্ব প্রতিবেদক: খুলনা রেঞ্জের নতুন উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. রেজাউল করিম। এর আগে তিনি পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

​বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর-২০২৬) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে খুলনা রেঞ্জে পদায়ন করা হয়। একই প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ পুলিশের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল আনা হয়েছে।

​পুলিশ সদর দপ্তরে অপারেশন্স শাখার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা রেজাউল করিম বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশি কার্যক্রম ও মাঠপর্যায়ের অপারেশন্স সমন্বয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পুলিশের একজন দক্ষ, কর্মঠ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা হিসেবে বাহিনীর ভেতরে তার সুনাম রয়েছে।

​রেজাউল করিম ১৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। তার বাড়ি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর উপজেলায়। কর্মজীবনে পেশাদারিত্বের পরিচয় দিলেও ছাত্রজীবনে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি কাঙ্ক্ষিত পদোন্নতি ও কাঙ্ক্ষিত পদায়ন থেকে বঞ্চিত ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

​তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময় থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তার ভূমিকা বিশেষভাবে আলোচিত। ওই সময় দেশের সার্বিক পুলিশি কার্যক্রমে বড় ধরনের সংকট তৈরি হলে ৮ আগস্ট তিনি ডিআইজি (অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর পুলিশ সদস্যদের দ্রুত মাঠপর্যায়ের দায়িত্বে ফেরানো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধনে তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন।

​তথ্য নিয়ে জানা যায়, ৫ আগস্টের পর পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন কন্ট্রোল রুম থেকে মাঠপর্যায়ের ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার (এসপি) ও থানার ওসিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করে লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে কেন্দ্রীয় সমন্বয় করেন রেজাউল করিম। তার সার্বিক তদারকিতে সারাদেশে প্রায় ৪ হাজার ৪৩৫টি অস্ত্র এবং ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৪ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

​এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে গঠিত ‘ন্যাশনাল অপারেশন্স মনিটরিং সেন্টার’-এর প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্বও পালন করেন তিনি। দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিভিন্ন পর্যায়ের নিরাপত্তা কার্যক্রম সমন্বয়ে এই কেন্দ্রটি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

Please Share This Post in Your Social Media

খুলনা রেঞ্জের নতুন ডিআইজি মো. রেজাউল করিম

আপডেট: ০৭:৩১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: খুলনা রেঞ্জের নতুন উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. রেজাউল করিম। এর আগে তিনি পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

​বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর-২০২৬) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে খুলনা রেঞ্জে পদায়ন করা হয়। একই প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ পুলিশের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল আনা হয়েছে।

​পুলিশ সদর দপ্তরে অপারেশন্স শাখার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা রেজাউল করিম বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশি কার্যক্রম ও মাঠপর্যায়ের অপারেশন্স সমন্বয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পুলিশের একজন দক্ষ, কর্মঠ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা হিসেবে বাহিনীর ভেতরে তার সুনাম রয়েছে।

​রেজাউল করিম ১৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। তার বাড়ি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর উপজেলায়। কর্মজীবনে পেশাদারিত্বের পরিচয় দিলেও ছাত্রজীবনে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি কাঙ্ক্ষিত পদোন্নতি ও কাঙ্ক্ষিত পদায়ন থেকে বঞ্চিত ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

​তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময় থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তার ভূমিকা বিশেষভাবে আলোচিত। ওই সময় দেশের সার্বিক পুলিশি কার্যক্রমে বড় ধরনের সংকট তৈরি হলে ৮ আগস্ট তিনি ডিআইজি (অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর পুলিশ সদস্যদের দ্রুত মাঠপর্যায়ের দায়িত্বে ফেরানো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধনে তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন।

​তথ্য নিয়ে জানা যায়, ৫ আগস্টের পর পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন কন্ট্রোল রুম থেকে মাঠপর্যায়ের ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার (এসপি) ও থানার ওসিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করে লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে কেন্দ্রীয় সমন্বয় করেন রেজাউল করিম। তার সার্বিক তদারকিতে সারাদেশে প্রায় ৪ হাজার ৪৩৫টি অস্ত্র এবং ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৪ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

​এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে গঠিত ‘ন্যাশনাল অপারেশন্স মনিটরিং সেন্টার’-এর প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্বও পালন করেন তিনি। দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিভিন্ন পর্যায়ের নিরাপত্তা কার্যক্রম সমন্বয়ে এই কেন্দ্রটি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।