১২:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

কেশবপুরের মধ্যকুলে হাডুডু খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১১

মোঃ মন্জুরুল ইসলাম মুকুল : যশোরের কেশবপুর উপজেলার মধ্যকুল এলাকায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী দলীয় হাডুডু খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) আয়োজিত এ খেলায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কেশবপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী ও পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি কুতুব উদ্দিন বিশ্বাস।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম, সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় খেলাপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। খেলা উপভোগ করতে বিভিন্ন বয়সী মানুষ উপস্থিত হন। খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে আয়োজনটি আনন্দঘন পরিবেশে শেষ হয়।

স্থানীয়রা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাকে টিকিয়ে রাখা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় সংস্কৃতি ও ক্রীড়াচর্চাকে পরিচিত করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Please Share This Post in Your Social Media

কেশবপুরের মধ্যকুলে হাডুডু খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

আপডেট: ১০:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

মোঃ মন্জুরুল ইসলাম মুকুল : যশোরের কেশবপুর উপজেলার মধ্যকুল এলাকায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী দলীয় হাডুডু খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) আয়োজিত এ খেলায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কেশবপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী ও পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি কুতুব উদ্দিন বিশ্বাস।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম, সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় খেলাপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। খেলা উপভোগ করতে বিভিন্ন বয়সী মানুষ উপস্থিত হন। খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে আয়োজনটি আনন্দঘন পরিবেশে শেষ হয়।

স্থানীয়রা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাকে টিকিয়ে রাখা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় সংস্কৃতি ও ক্রীড়াচর্চাকে পরিচিত করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।