০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বুড়িগঙ্গার তীর থেকে ১৫ দিনের মধ্যে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • /

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকার লালবাগ ও কামরাঙ্গীর চরের ইসলামবাগ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ফেলা প্লাস্টিক ও অন্য সব বর্জ্য ১৫ দিনের মধ্যে অপসারণ করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) রিটটি দায়ের করেছিল। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সালে হাইকোর্ট বিভাগ এক রায়ে দূষণ বন্ধে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেও ইসলামবাগে বুড়িগঙ্গার তীরে শত শত প্লাস্টিক বর্জ্য ও অন্যান্য আবর্জনা ফেলা হচ্ছে।

আদালত নৌপরিবহন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকার জেলা প্রশাসক এবং লালবাগ ও কামরাঙ্গীর চর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনারসহ আরও ১৩ জনকে ১৫ দিনের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা বাস্তবায়ন শেষে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ। তাকে সহায়তা করেন আইনজীবী সঞ্জয় মণ্ডল ও নাসরিন সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খান জিয়াউর রহমান।

এভাবে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলা অব্যাহত থাকলে এক পর্যায়ে এসব বর্জ্য নদীতে গিয়ে পড়তে পারে এবং পানি দূষণ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, ফলে আদালতের আগের নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হবে, উল্লেখ করা হয় রিট আবেদনে।

বুড়িগঙ্গা দূষণ রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে ২০১০ সালে এইচআরপিবির করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

এর অংশ হিসেবে আদালত নদীর তীরে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।

মনজিল মোরশেদ বলেন, বুড়িগঙ্গার দূষণ ঢাকার পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের আগের নির্দেশনা সত্ত্বেও ইসলামবাগ এলাকায় নদীর তীরে শত শত প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলে রাখা হয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত নদীতে গিয়ে পড়তে পারে এবং দূষণ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

এইচআরপিবির পক্ষে মোহাম্মদ সরওয়ার আহাদ চৌধুরী ৩০ আগস্ট আবেদনটি করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

বুড়িগঙ্গার তীর থেকে ১৫ দিনের মধ্যে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট: ০৯:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকার লালবাগ ও কামরাঙ্গীর চরের ইসলামবাগ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ফেলা প্লাস্টিক ও অন্য সব বর্জ্য ১৫ দিনের মধ্যে অপসারণ করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) রিটটি দায়ের করেছিল। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সালে হাইকোর্ট বিভাগ এক রায়ে দূষণ বন্ধে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেও ইসলামবাগে বুড়িগঙ্গার তীরে শত শত প্লাস্টিক বর্জ্য ও অন্যান্য আবর্জনা ফেলা হচ্ছে।

আদালত নৌপরিবহন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকার জেলা প্রশাসক এবং লালবাগ ও কামরাঙ্গীর চর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনারসহ আরও ১৩ জনকে ১৫ দিনের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা বাস্তবায়ন শেষে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ। তাকে সহায়তা করেন আইনজীবী সঞ্জয় মণ্ডল ও নাসরিন সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খান জিয়াউর রহমান।

এভাবে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলা অব্যাহত থাকলে এক পর্যায়ে এসব বর্জ্য নদীতে গিয়ে পড়তে পারে এবং পানি দূষণ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, ফলে আদালতের আগের নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হবে, উল্লেখ করা হয় রিট আবেদনে।

বুড়িগঙ্গা দূষণ রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে ২০১০ সালে এইচআরপিবির করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

এর অংশ হিসেবে আদালত নদীর তীরে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।

মনজিল মোরশেদ বলেন, বুড়িগঙ্গার দূষণ ঢাকার পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের আগের নির্দেশনা সত্ত্বেও ইসলামবাগ এলাকায় নদীর তীরে শত শত প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলে রাখা হয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত নদীতে গিয়ে পড়তে পারে এবং দূষণ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

এইচআরপিবির পক্ষে মোহাম্মদ সরওয়ার আহাদ চৌধুরী ৩০ আগস্ট আবেদনটি করেন।