সারজিসের হলফনামা ও আয়কর রিটার্নের তথ্যে গড়মিল, অনুসন্ধানের বিষয়ে যা বললেন দুদক মহাপরিচালক
- আপডেট: ০৯:১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৯

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী সারজিস আলমের হলফনামা ও আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা আয়ের তথ্যে বড় ধরনের গড়মিল ধরা পড়েছে। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, তার ঘোষিত আয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।
পঞ্চগড়-১ আসনের এই প্রার্থী তার হলফনামায় পেশা হিসেবে ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে তিনি বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৯ লাখ টাকা। তবে ২০২৫-২৬ করবর্ষের জন্য জমা দেওয়া আয়কর রিটার্নে তার আয় উল্লেখ করা হয়েছে ২৮ লাখ ৫ হাজার টাকা, যা হলফনামায় ঘোষিত আয়ের চেয়ে তিন গুণেরও বেশি। একই ব্যক্তির আয়ের বিষয়ে দুই ধরনের তথ্য দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কোনো অনুসন্ধানে যাবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমার নির্দিষ্টভাবে জানা নেই। যদি এ সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা তথ্য কমিশনে এসে থাকে, তাহলে দুর্নীতি দমন আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে গত সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছি, আপনারা নিজেরা পরীক্ষা করুন। যদি কোনো সম্পদ বিবরণী সন্দেহজনক মনে হয়, তাহলে আমাদের অবগত করুন। একই সঙ্গে আমার সাংবাদিক ভাইদের প্রতিও অনুরোধ, যদি কোথাও বড় ধরনের কারচুপি বা অসঙ্গতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তা সামনে আনুন।
তিনি বলেন, দুদকের আইনগত সীমাবদ্ধতা থাকলেও সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ পেলে সংস্থাটি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখবে। প্রয়োজনে এই সময়টাতে দুদকের অন্যান্য কার্যক্রম কিছুটা কমিয়ে হলেও হলফনামা সংক্রান্ত যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চালিয়ে যাওয়া হবে।
আবদুল মোমেন বলেন, দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য আইনে নির্ধারিত সময়সীমা রয়েছে। ফলে এখন কাজ শুরু করলেও নির্বাচনের আগেই সব তদন্ত শেষ করা সম্ভব হবে, এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই। তবে যদি কেউ সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রাথমিক প্রমাণ নিয়ে আসে, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব আইনানুগভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।



























