১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

খাগড়াছড়িতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর বাসভবনে বিস্ফোরণের অভিযোগ, পুলিশের দাবি—আলামত মেলেনি

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:১৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১০

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥
খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলীর বাসভবনে বিস্ফোরণের অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরণের কোনো সুস্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি।

জামায়াতে ইসলামীর দাবি অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে জেলা সদরের কদমতলী এলাকায় অবস্থিত প্রার্থী এয়াকুব আলীর ভাড়া বাসার সীমানা প্রাচীরের ভেতরে বিকট শব্দে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। শব্দটি এতটাই তীব্র ছিল যে কয়েক কিলোমিটার দূরের ইসলামপুর এলাকাতেও শোনা গেছে বলে স্থানীয়দের বরাতে দাবি করা হয়।

ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর প্রফেসর সৈয়দ মো. আব্দুল মোমেন ও জেলা সেক্রেটারি মিনহাজুর রহমান বলেন, বিস্ফোরণের পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রাথমিকভাবে তল্লাশি ও আলামত সংগ্রহ করে।

জেলা জামায়াতের আমীর প্রফেসর সৈয়দ মো. আব্দুল মোমেন জানান, রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে প্রার্থীর বাসার উঠানে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, “এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানাই।”

এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী মুঠোফোনে জানান, ঘটনার সময় তিনি বাসার বাইরে অবস্থান করছিলেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে বিস্ফোরণের খবর পান। তিনি বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার। প্রশাসনের কাছে আমরা সুষ্ঠু তদন্ত প্রত্যাশা করছি।”

অন্যদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্ফোরণের অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায় কিসলু জানান, মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর ইলিয়াছ ফোনে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালায়।

ওসি কায় কিসলু বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত পরীক্ষা করে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিস্ফোরণের সুস্পষ্ট নমুনা পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে তদন্ত অব্যাহত থাকবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

খাগড়াছড়িতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর বাসভবনে বিস্ফোরণের অভিযোগ, পুলিশের দাবি—আলামত মেলেনি

আপডেট: ০৫:১৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥
খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলীর বাসভবনে বিস্ফোরণের অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরণের কোনো সুস্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি।

জামায়াতে ইসলামীর দাবি অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে জেলা সদরের কদমতলী এলাকায় অবস্থিত প্রার্থী এয়াকুব আলীর ভাড়া বাসার সীমানা প্রাচীরের ভেতরে বিকট শব্দে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। শব্দটি এতটাই তীব্র ছিল যে কয়েক কিলোমিটার দূরের ইসলামপুর এলাকাতেও শোনা গেছে বলে স্থানীয়দের বরাতে দাবি করা হয়।

ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর প্রফেসর সৈয়দ মো. আব্দুল মোমেন ও জেলা সেক্রেটারি মিনহাজুর রহমান বলেন, বিস্ফোরণের পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রাথমিকভাবে তল্লাশি ও আলামত সংগ্রহ করে।

জেলা জামায়াতের আমীর প্রফেসর সৈয়দ মো. আব্দুল মোমেন জানান, রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে প্রার্থীর বাসার উঠানে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, “এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানাই।”

এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী মুঠোফোনে জানান, ঘটনার সময় তিনি বাসার বাইরে অবস্থান করছিলেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে বিস্ফোরণের খবর পান। তিনি বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার। প্রশাসনের কাছে আমরা সুষ্ঠু তদন্ত প্রত্যাশা করছি।”

অন্যদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্ফোরণের অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায় কিসলু জানান, মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর ইলিয়াছ ফোনে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালায়।

ওসি কায় কিসলু বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত পরীক্ষা করে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিস্ফোরণের সুস্পষ্ট নমুনা পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে তদন্ত অব্যাহত থাকবে।”