০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

মহেশপুরের নাটিমা ইউনিয়নে মশা দমনে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:১৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৬

মোঃ রুবেল হোসেন, মহেশপুর (ঝিনাইদহ):
“মানুষকে মৃত্যুর কোলে নিয়ে যেতে একটি মশাই যথেষ্ট”—এমন সচেতনতামূলক বার্তা নিয়ে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ১০ নম্বর নাটিমা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আজ ১০ অক্টোবর মশা দমনে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

নাটিমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মোঃ মমিনুর রহমানসহ আরো অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে কর্মসূচিতে সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়।

কর্মসূচিতে বাড়ির আঙিনা, আশপাশের নালা ও পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমাতে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সচেতন মহলের মতে, মশার বংশবিস্তার রোধে প্রশাসনের উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। নিয়মিত জমে থাকা পানি অপসারণ ও পরিবেশ পরিষ্কার রাখলে মশার প্রজননস্থল কমানো সম্ভব।

সচেতনতামূলক আহ্বান: আসুন, নিজের আঙিনা নিজেই পরিষ্কার রাখি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করি এবং পরিবার ও প্রতিবেশীদের সুস্থ রাখতে সচেতন হই। মনে রাখবেন, একটি মশাও প্রাণঘাতী রোগের কারণ হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

মহেশপুরের নাটিমা ইউনিয়নে মশা দমনে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত

আপডেট: ০৭:১৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

মোঃ রুবেল হোসেন, মহেশপুর (ঝিনাইদহ):
“মানুষকে মৃত্যুর কোলে নিয়ে যেতে একটি মশাই যথেষ্ট”—এমন সচেতনতামূলক বার্তা নিয়ে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ১০ নম্বর নাটিমা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আজ ১০ অক্টোবর মশা দমনে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

নাটিমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মোঃ মমিনুর রহমানসহ আরো অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে কর্মসূচিতে সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়।

কর্মসূচিতে বাড়ির আঙিনা, আশপাশের নালা ও পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমাতে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সচেতন মহলের মতে, মশার বংশবিস্তার রোধে প্রশাসনের উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। নিয়মিত জমে থাকা পানি অপসারণ ও পরিবেশ পরিষ্কার রাখলে মশার প্রজননস্থল কমানো সম্ভব।

সচেতনতামূলক আহ্বান: আসুন, নিজের আঙিনা নিজেই পরিষ্কার রাখি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করি এবং পরিবার ও প্রতিবেশীদের সুস্থ রাখতে সচেতন হই। মনে রাখবেন, একটি মশাও প্রাণঘাতী রোগের কারণ হতে পারে।