১০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্ব শিক্ষক দিবস–২০২৬: বিভাগের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষকের মর্যাদা পেলেন নীলফামারীর ফাতেমা পারভীন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • /

মোঃ বাদশা প্রামানিক নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
শিক্ষাক্ষেত্রে অনন্য অবদান এবং পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ টানা দ্বিতীয়বারের মতো রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার ফ্রি-আমিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. ফাতেমা পারভীন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ব শিক্ষক দিবস–২০২৬ উপলক্ষে প্রাথমিক শিক্ষা রংপুর বিভাগীয় অফিস থেকে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে তিনি ২০২৫ সালেও একই বিভাগে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে গৌরব অর্জন করেছিলেন।

​মোছা. ফাতেমা পারভীন দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সাথে প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর সৃজনশীল পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ যত্ন এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে তাঁর নেতৃত্ব স্থানীয় মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। তাঁর এই ধারাবাহিক সাফল্য কেবল সৈয়দপুর উপজেলা বা নীলফামারী জেলা নয়, পুরো রংপুর বিভাগের জন্য এক বিরাট অর্জন ও অনুপ্রেরণা।

Please Share This Post in Your Social Media

বিশ্ব শিক্ষক দিবস–২০২৬: বিভাগের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষকের মর্যাদা পেলেন নীলফামারীর ফাতেমা পারভীন

আপডেট: ০৫:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোঃ বাদশা প্রামানিক নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
শিক্ষাক্ষেত্রে অনন্য অবদান এবং পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ টানা দ্বিতীয়বারের মতো রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার ফ্রি-আমিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. ফাতেমা পারভীন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ব শিক্ষক দিবস–২০২৬ উপলক্ষে প্রাথমিক শিক্ষা রংপুর বিভাগীয় অফিস থেকে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে তিনি ২০২৫ সালেও একই বিভাগে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে গৌরব অর্জন করেছিলেন।

​মোছা. ফাতেমা পারভীন দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সাথে প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর সৃজনশীল পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ যত্ন এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে তাঁর নেতৃত্ব স্থানীয় মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। তাঁর এই ধারাবাহিক সাফল্য কেবল সৈয়দপুর উপজেলা বা নীলফামারী জেলা নয়, পুরো রংপুর বিভাগের জন্য এক বিরাট অর্জন ও অনুপ্রেরণা।