০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

অবহেলিত মানুষের অব্যক্ত কষ্ট ও চাহিদার কথা শুনতে চাই: ইমদাদুল হক ইমদাদ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • /

নিজস্ব প্রতিবেদক: তফশিল ঘোষণার আগেই ভোটের উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে ভারত সীমান্তবর্তী বেনাপোল পৌরসভায়। পাড়া-মহল্লা ও চা-স্টলগুলোতে এখন মুখ্য আলোচনা—আসন্ন পৌর নির্বাচন।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে সীমান্ত শহরের প্রতিটি গলি। ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি নাগরিক দুর্ভোগের কথা শুনে নিজ নিজ উন্নয়ন পরিকল্পনার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

​এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৮ আগস্ট-২০২৬) সকালে বেনাপোল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাদীপুর এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালান যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক ইমদাদ।

​গণসংযোগকালে ভোটের সমীকরণের চেয়ে সাধারণ মানুষের মনের ভাষা বোঝার ওপরই বেশি জোর দিতে দেখা যায় সম্ভাব্য এই মেয়র প্রার্থীকে। বাসাবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে পথচারীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন তিনি। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াত কষ্ট, জরাজীর্ণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য অপসারণে অব্যবস্থাপনা, সুপেয় পানির সংকট ও পর্যাপ্ত সড়কবাতি না থাকার মতো নানা নাগরিক সেবাবঞ্চনার চিত্র তুলে ধরেন।

​গণসংযোগে সাধারণ ভোটারদের অভূতপূর্ব সাড়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বিএনপি নেতা ইমদাদুল হক ইমদাদ। তিনি বলেন, “আমি কেবল ভোট প্রার্থনা করতে রাজপথে নামিনি; অবহেলিত মানুষের অব্যক্ত কষ্ট ও চাহিদার কথা শুনতেই এই আয়োজন। নাগরিকদের মতামত ও পরামর্শকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সত্যিকারের নাগরিকবান্ধব বেনাপোল পৌরসভা গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”

​নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরে তিনি আরও যোগ করেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে পৌর এলাকার জরাজীর্ণ ড্রেনেজ ও সড়ক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটানো হবে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশুদ্ধ সুপেয় পানি, নিরবচ্ছিন্ন আধুনিক সড়কবাতি এবং পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের গুণগত মানোন্নয়নের পাশাপাশি বেনাপোলকে সম্পূর্ণ মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করব।”

​এ দিন গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন ও শাহাদুর রহমান খোকন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেরুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, ছোটআঁচড়া ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল সরদার, ভবেরবেড় ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মইদুল ইসলাম।

​এছাড়াও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শহিদ, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জনি হায়দার, ইয়াসিন মোড়ল (লাফু), আশরাফুজ্জামান মির্জা, পৌর কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সদস্য মফিজুর রহমান পিন্টু এবং পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তোফাজ্জল তুহিন হোসেন, আতিকুজ্জামান সনি, সদস্য মহাসিন আলমসহ সংগঠনের শত শত স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থক গণসংযোগে অংশ নেন।

Please Share This Post in Your Social Media

অবহেলিত মানুষের অব্যক্ত কষ্ট ও চাহিদার কথা শুনতে চাই: ইমদাদুল হক ইমদাদ

আপডেট: ০৭:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: তফশিল ঘোষণার আগেই ভোটের উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে ভারত সীমান্তবর্তী বেনাপোল পৌরসভায়। পাড়া-মহল্লা ও চা-স্টলগুলোতে এখন মুখ্য আলোচনা—আসন্ন পৌর নির্বাচন।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে সীমান্ত শহরের প্রতিটি গলি। ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি নাগরিক দুর্ভোগের কথা শুনে নিজ নিজ উন্নয়ন পরিকল্পনার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

​এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৮ আগস্ট-২০২৬) সকালে বেনাপোল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাদীপুর এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালান যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক ইমদাদ।

​গণসংযোগকালে ভোটের সমীকরণের চেয়ে সাধারণ মানুষের মনের ভাষা বোঝার ওপরই বেশি জোর দিতে দেখা যায় সম্ভাব্য এই মেয়র প্রার্থীকে। বাসাবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে পথচারীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন তিনি। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াত কষ্ট, জরাজীর্ণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য অপসারণে অব্যবস্থাপনা, সুপেয় পানির সংকট ও পর্যাপ্ত সড়কবাতি না থাকার মতো নানা নাগরিক সেবাবঞ্চনার চিত্র তুলে ধরেন।

​গণসংযোগে সাধারণ ভোটারদের অভূতপূর্ব সাড়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বিএনপি নেতা ইমদাদুল হক ইমদাদ। তিনি বলেন, “আমি কেবল ভোট প্রার্থনা করতে রাজপথে নামিনি; অবহেলিত মানুষের অব্যক্ত কষ্ট ও চাহিদার কথা শুনতেই এই আয়োজন। নাগরিকদের মতামত ও পরামর্শকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সত্যিকারের নাগরিকবান্ধব বেনাপোল পৌরসভা গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”

​নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরে তিনি আরও যোগ করেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে পৌর এলাকার জরাজীর্ণ ড্রেনেজ ও সড়ক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটানো হবে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশুদ্ধ সুপেয় পানি, নিরবচ্ছিন্ন আধুনিক সড়কবাতি এবং পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের গুণগত মানোন্নয়নের পাশাপাশি বেনাপোলকে সম্পূর্ণ মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করব।”

​এ দিন গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন ও শাহাদুর রহমান খোকন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেরুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, ছোটআঁচড়া ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল সরদার, ভবেরবেড় ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মইদুল ইসলাম।

​এছাড়াও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শহিদ, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জনি হায়দার, ইয়াসিন মোড়ল (লাফু), আশরাফুজ্জামান মির্জা, পৌর কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সদস্য মফিজুর রহমান পিন্টু এবং পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তোফাজ্জল তুহিন হোসেন, আতিকুজ্জামান সনি, সদস্য মহাসিন আলমসহ সংগঠনের শত শত স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থক গণসংযোগে অংশ নেন।