১১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ‘জ্বালানি জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করল ফিলিপাইন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫৬:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • /

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে ফিলিপাইন। ইরানের সঙ্গে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় যেসব দেশ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে, ফিলিপাইন তাদের মধ্যে অন্যতম।

মঙ্গলবার নির্বাহী এক আদেশে ফিলিপিনো প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র দেশের জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘আসন্ন বিপদের’ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, এই ঘোষণার ফলে জ্বালানি স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে এবং সামগ্রিক অর্থনীতি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি ক্ষমতা পাবে সরকার।

আদেশে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল, খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সুশৃঙ্খল বণ্টন তদারকি করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া মজুত বাড়ানোর জন্য সরাসরি জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য কেনার ক্ষমতা সরকারকে দেওয়া হয়েছে।

দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান ব্যবহার অনুযায়ী ফিলিপাইনের কাছে আর মাত্র ৪৫ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে। প্রেসিডেন্টের এই আদেশ এক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি এই সময়সীমা বাড়াতে বা প্রত্যাহার করতে পারবেন।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিপাইনের প্রয়োজনীয় তেলের ৯৮ শতাংশই পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আমদানি করা হয়। গত তিন সপ্তাহে ফিলিপাইনের সাধারণ মানুষ কয়েক দফা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কবলে পড়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটিতে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

Please Share This Post in Your Social Media

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ‘জ্বালানি জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করল ফিলিপাইন

আপডেট: ১০:৫৬:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে ফিলিপাইন। ইরানের সঙ্গে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় যেসব দেশ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে, ফিলিপাইন তাদের মধ্যে অন্যতম।

মঙ্গলবার নির্বাহী এক আদেশে ফিলিপিনো প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র দেশের জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘আসন্ন বিপদের’ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, এই ঘোষণার ফলে জ্বালানি স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে এবং সামগ্রিক অর্থনীতি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি ক্ষমতা পাবে সরকার।

আদেশে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল, খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সুশৃঙ্খল বণ্টন তদারকি করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া মজুত বাড়ানোর জন্য সরাসরি জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য কেনার ক্ষমতা সরকারকে দেওয়া হয়েছে।

দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান ব্যবহার অনুযায়ী ফিলিপাইনের কাছে আর মাত্র ৪৫ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে। প্রেসিডেন্টের এই আদেশ এক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি এই সময়সীমা বাড়াতে বা প্রত্যাহার করতে পারবেন।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিপাইনের প্রয়োজনীয় তেলের ৯৮ শতাংশই পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আমদানি করা হয়। গত তিন সপ্তাহে ফিলিপাইনের সাধারণ মানুষ কয়েক দফা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কবলে পড়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটিতে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা