০২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ইরান শেষ, এখন যুক্তরাষ্ট্রের আসল শত্রু ডেমোক্র্যাটরা: ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:১৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • /

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় ‘সবচেয়ে বড় শত্রু’ বলে অভিহিত করেছেন। খবর তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলুর।

রবিবার (২২ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লিখেন, “এখন ইরানের পতনের পর, আমেরিকার সবচেয়ে বড় শত্রু হলো কট্টর বামপন্থি, খুবই অযোগ্য ডেমোক্র্যাট দল! এই বিষয়ে আপনাদের মনোযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।”

অন্য একটি পোস্টে ট্রাম্প আরও জানান, সোমবার (২৩ মার্চ) বিমানবন্দরগুলোতে ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কর্মীদের সহায়তা করার জন্য ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্টদের মোতায়েন করা হবে। ডেমোক্র্যাটদের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেও তিনি এই এজেন্টদের নিষ্ঠার প্রশংসা করেন।

ডেমোক্র্যাটরা আংশিক সরকারি অচলাবস্থা (শাটডাউন) নিরসনে সম্মত না হলে বিমানবন্দরগুলোতে আইসিই এজেন্ট পাঠানোর হুমকির দেওয়ার একদিন পরই এই ঘোষণা এলো।

তিনি লিখেছেন, “সোমবার আইসিই আমাদের চমৎকার টিএসএ এজেন্টদের সাহায্য করতে বিমানবন্দরে যাবে, যারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে কট্টর বামপন্থি ডেমোক্র্যাটরা- যাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো আমাদের দেশে অবৈধভাবে প্রবেশ করা কট্টর অপরাধীদের রক্ষা করা- তারা অনেক আগে স্বাক্ষরিত ও সিলমোহরযুক্ত বিলের অর্থ আটকে রেখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিপদে ফেলছে।”

ফেব্রুয়ারিতে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা অর্থায়ন চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর আংশিক সরকারি অচলাবস্থা শুরু হয়। এর ফলে আমেরিকার বিভিন্ন বিমানবন্দরের টিএসএ কর্মীরা বেতন ছাড়াই কাজ করছেন।

বিভিন্ন মার্কিন শহরে আইসিই-এর বিতর্কিত অভিবাসী অভিযানের ফলে কিছু মৃত্যু এবং ব্যাপক জনরোষ সৃষ্টি হওয়ার পর, ডেমোক্র্যাটরা জানিয়ে দিয়েছে যে আইসিই-তে বড় ধরনের সংস্কার না আনা পর্যন্ত তারা সংস্থাটিকে বাড়তি তহবিল দেবে না।

এদিকে মার্কিন সিনেটের মাইনোরিটি লিডার চাক শুমার ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। আজ সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “যথেষ্ট হয়েছে। এই যুদ্ধ বন্ধ করুন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি ডলার নষ্ট হচ্ছে এবং এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম গড়ে ৩ দশমিক ৯৪ ডলারে পৌঁছেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

ইরান শেষ, এখন যুক্তরাষ্ট্রের আসল শত্রু ডেমোক্র্যাটরা: ট্রাম্প

আপডেট: ১২:১৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় ‘সবচেয়ে বড় শত্রু’ বলে অভিহিত করেছেন। খবর তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলুর।

রবিবার (২২ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লিখেন, “এখন ইরানের পতনের পর, আমেরিকার সবচেয়ে বড় শত্রু হলো কট্টর বামপন্থি, খুবই অযোগ্য ডেমোক্র্যাট দল! এই বিষয়ে আপনাদের মনোযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।”

অন্য একটি পোস্টে ট্রাম্প আরও জানান, সোমবার (২৩ মার্চ) বিমানবন্দরগুলোতে ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কর্মীদের সহায়তা করার জন্য ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্টদের মোতায়েন করা হবে। ডেমোক্র্যাটদের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেও তিনি এই এজেন্টদের নিষ্ঠার প্রশংসা করেন।

ডেমোক্র্যাটরা আংশিক সরকারি অচলাবস্থা (শাটডাউন) নিরসনে সম্মত না হলে বিমানবন্দরগুলোতে আইসিই এজেন্ট পাঠানোর হুমকির দেওয়ার একদিন পরই এই ঘোষণা এলো।

তিনি লিখেছেন, “সোমবার আইসিই আমাদের চমৎকার টিএসএ এজেন্টদের সাহায্য করতে বিমানবন্দরে যাবে, যারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে কট্টর বামপন্থি ডেমোক্র্যাটরা- যাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো আমাদের দেশে অবৈধভাবে প্রবেশ করা কট্টর অপরাধীদের রক্ষা করা- তারা অনেক আগে স্বাক্ষরিত ও সিলমোহরযুক্ত বিলের অর্থ আটকে রেখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিপদে ফেলছে।”

ফেব্রুয়ারিতে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা অর্থায়ন চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর আংশিক সরকারি অচলাবস্থা শুরু হয়। এর ফলে আমেরিকার বিভিন্ন বিমানবন্দরের টিএসএ কর্মীরা বেতন ছাড়াই কাজ করছেন।

বিভিন্ন মার্কিন শহরে আইসিই-এর বিতর্কিত অভিবাসী অভিযানের ফলে কিছু মৃত্যু এবং ব্যাপক জনরোষ সৃষ্টি হওয়ার পর, ডেমোক্র্যাটরা জানিয়ে দিয়েছে যে আইসিই-তে বড় ধরনের সংস্কার না আনা পর্যন্ত তারা সংস্থাটিকে বাড়তি তহবিল দেবে না।

এদিকে মার্কিন সিনেটের মাইনোরিটি লিডার চাক শুমার ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। আজ সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “যথেষ্ট হয়েছে। এই যুদ্ধ বন্ধ করুন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি ডলার নষ্ট হচ্ছে এবং এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম গড়ে ৩ দশমিক ৯৪ ডলারে পৌঁছেছে।