০১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

ঝিকরগাছা থানায় চুরির অভিযোগ করে নিরাপত্তাহীনতায় এক নারী

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:১৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৩

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের ঝিকরগাছা থানায় নিজ বাড়িতে চুরির অভিযোগ দায়েরের পর বিবাদী কতৃক প্রাণনাশের হুমকিতে আতংকগ্রস্থ আয়েশা বেগম (৩০) নামে এক নারী।

এ ঘটনায় তিনি ও তাঁর দুই শিশুসন্তান নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন। আয়েশা পানিসারা ইউনিয়নের মোহিনীকাটি গ্রামের প্রবাসী রিপনের স্ত্রী। স্বামী প্রবাসে থাকায় দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি বাড়িতে একাই বসবাস করেন।

থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর দিবাগত রাত ৩টার দিকে তাঁর বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। শব্দ পেয়ে ঘুম ভেঙে যাওয়ায় তিনি তার ছেলের ঘরে আলো জ্বলতে দেখে সেটি বন্ধ করার উদ্দেশ্যে রুম থেকে বের হন এবং দেয়ালে থাকা ছিদ্র দিয়ে প্রতিবেশী শাহাজানের ছেলে মিলন (৩৫) ও অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনকে ঘরের মধ্যে দেখতে পান। ভয়ে ও আতংকে তিনি হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। পরে নিজের অবস্থা স্বাভাবিক হলে তিনি দেখতে পান ঘরের জানালা ভাঙা, জিনিসপত্র সব এলোমেলো করা। এ সময় নগদ ৫০ হাজার টাকা ও তিনটি স্বর্ণের চেইন চুরি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।

এ ঘটনায় মিলনের নাম উল্লেখ পূর্বক ২/৩ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে তিনি ঝিকরগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারীর দাবি, এরপর থেকেই মামলার এক নম্বর বিবাদী মিলন তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, মিলন নেশাগ্রস্ত এবং এর আগেও তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আছে। এই পরিস্থিতিতে দুই সন্তানকে নিয়ে নিজের বাড়িতে চরম আতংক ও হতাশার মধ্যে বসবাসকারী আয়েশা বেগম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং নিজের ও সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিবাদী মিলন বলেন, আমি সারারাত নেটে ছিলাম। ঘরেই ছিলাম। এই ঘটনায় আমি জড়িত নই। হুমকির বিষয়ে তিনি বলেন, তারা আমার নামে অভিযোগ করেছে তাই রাগান্বিত হয়ে গালিগালাজ করে এসব বলেছি।। আগে চুরি এবং নেশাদ্রব্য গ্রহনের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, আগে চুরি করলেও বর্তমানে করিনা।

এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ফেরদৌস জানান, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। খবর পেয়ে আমরা মিলনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মামলায় উল্লেখিত কোনো মালামাল পায়নি। অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি ।

Please Share This Post in Your Social Media

ঝিকরগাছা থানায় চুরির অভিযোগ করে নিরাপত্তাহীনতায় এক নারী

আপডেট: ০৮:১৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের ঝিকরগাছা থানায় নিজ বাড়িতে চুরির অভিযোগ দায়েরের পর বিবাদী কতৃক প্রাণনাশের হুমকিতে আতংকগ্রস্থ আয়েশা বেগম (৩০) নামে এক নারী।

এ ঘটনায় তিনি ও তাঁর দুই শিশুসন্তান নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন। আয়েশা পানিসারা ইউনিয়নের মোহিনীকাটি গ্রামের প্রবাসী রিপনের স্ত্রী। স্বামী প্রবাসে থাকায় দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি বাড়িতে একাই বসবাস করেন।

থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর দিবাগত রাত ৩টার দিকে তাঁর বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। শব্দ পেয়ে ঘুম ভেঙে যাওয়ায় তিনি তার ছেলের ঘরে আলো জ্বলতে দেখে সেটি বন্ধ করার উদ্দেশ্যে রুম থেকে বের হন এবং দেয়ালে থাকা ছিদ্র দিয়ে প্রতিবেশী শাহাজানের ছেলে মিলন (৩৫) ও অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনকে ঘরের মধ্যে দেখতে পান। ভয়ে ও আতংকে তিনি হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। পরে নিজের অবস্থা স্বাভাবিক হলে তিনি দেখতে পান ঘরের জানালা ভাঙা, জিনিসপত্র সব এলোমেলো করা। এ সময় নগদ ৫০ হাজার টাকা ও তিনটি স্বর্ণের চেইন চুরি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।

এ ঘটনায় মিলনের নাম উল্লেখ পূর্বক ২/৩ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে তিনি ঝিকরগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারীর দাবি, এরপর থেকেই মামলার এক নম্বর বিবাদী মিলন তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, মিলন নেশাগ্রস্ত এবং এর আগেও তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আছে। এই পরিস্থিতিতে দুই সন্তানকে নিয়ে নিজের বাড়িতে চরম আতংক ও হতাশার মধ্যে বসবাসকারী আয়েশা বেগম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং নিজের ও সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিবাদী মিলন বলেন, আমি সারারাত নেটে ছিলাম। ঘরেই ছিলাম। এই ঘটনায় আমি জড়িত নই। হুমকির বিষয়ে তিনি বলেন, তারা আমার নামে অভিযোগ করেছে তাই রাগান্বিত হয়ে গালিগালাজ করে এসব বলেছি।। আগে চুরি এবং নেশাদ্রব্য গ্রহনের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, আগে চুরি করলেও বর্তমানে করিনা।

এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ফেরদৌস জানান, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। খবর পেয়ে আমরা মিলনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মামলায় উল্লেখিত কোনো মালামাল পায়নি। অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি ।