ঝিকরগাছার বাঁকড়ায় মাদক বিরোধী অভিযানে মাদকের গডফাদার সাধনসহ আটক-৪
- আপডেট: ১০:২৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ৭

বিল্লাল হুসাইন।। যশোরের ঝিকরগাছার বাঁকড়ায় মাদক বিরোধী অভিযানে মাদকের গডফাদার, এলাকার চিন্হীত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সাধন কুমার সহ ৪জনকে আটক করেছে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ।
সুত্রে জানাযায়, গ্রেফতারের সময়, গাজা ইয়াবা ও মাদক সেবনের সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
ঝিকরগাছা থানা পুলিশ ও নাভারন সার্কেল অফিসারসহ বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের যৌথ উদ্যোগে ৩রা অক্টোবর বিকালে মাদক বিরোধী এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
পুলিশ সুত্রে জানাযায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি এখানে মাদক বিক্রি হয়, তার উপর ভিত্তি করে বিকালে এই অভিযান পরিচালিত হয়, পুলিশের মাদকবিরোধী এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন সহকারি পুলিশ সুপার নাভারন সার্কেল আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া, বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ কাজী শহিদুল ইসলাম সংঙ্গীয় ফোর্সসহ পুলিশের এই মাদক বিরোধী অভিযানে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সাধন কুমার, পিতা মৃত কালিপদ রায়, তার সহযোগী ও মাদক ব্যসায়ীরা হলেন, মিঠুন কুমার ও নয়ন কুমার উভয় পিতা সুকুমার রায়। জনি, পিতা গোপাল মন্ডল, বাঁকড়া, ঝিকরগাছা-যশোর আটক হয়।
অভিযান পরিচালনা করা কালে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সাধন কুমারের কাছ থেকে গাজা, ইয়াবা ও মাদক দ্রব্য সেবন করার সরঞ্জামাদি উদ্ধার করেছেন বলে জানাযায়। আরো জানা যায় যে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সাধনের স্ত্রী অভিযান চলা কালে পুলিশের উপর চড়াও ভাবে ক্ষিপ্ত হন।
আরোও জানাযায় দীর্ঘদিন ধরে এই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সাধন কুমার বাঁকড়া তথা বাঁকড়ার বাহিরে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। অভিযান চলাকালীন সময়ে সাধনকে গ্রেফতার করতে গেলে পরিবারের নারী সদস্যরা পুলিশের প্রতি মার মুখী ও পুলিশের সাথে হেয় প্রতিপন্ন আচরণ করেন বলেও জানাযায়। এর আগেও সাধনকে একাধিক বার মাদক মামলায় গ্রেফতার করা হয়, পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে মাদকের ব্যবসা আরও জোর দিয়ে শুরু করে, মাঝেমধ্যে তাকে সতর্ক করলে ব্যবসা চালিয়ে যায় আর বলে তাকে কেউ কিছু করতে পারবে না।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এলাকার জনগন বলেন এই সাধন একা নয় এর সাথে আরোও অনেকেই জড়ীত আছে, পিছনে ছায়ার মত ছত্রছায়া দিয়ে রেখেছে এরা কারা? তাদেরকেও সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এদের কারনে সমাজের কিশোর থেকে শুরু করে মুরুব্বি পর্যন্ত নেশা করে, বিভিন্ন এলাকায় বিকাল থেকে সারারাত মোড়ে, বাগানে, ফাকা রাস্তা, স্কুল মাঠে বসে মাদক সেবন ও বিক্রয় করে থাকে। এলাকায় চুরির মত অনৈতিক কাজ চলে এদের কারনে। কিছু বললে উল্টো ঝাড়ী দেয়।
আরোও বলেন যে স্থানীয় ভাবে মোটা অংকের টাকা দিয়ে বিভিন্ন মহল স্থির করে সে ব্যবসা করে। সাধন একা নয় তার সাথে আরো ও বড়বড় হাত আছে, এরা কারা তাদেরকে সনাক্ত করে সমাজ থেকে মাদক নিরাময় করা হোক। শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সাধন কুমার সহ তার ৩ সহযোগীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়াতে পুলিশের এই অভিযানকে এলাকার সাধারণ জনগন পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন সঠিক কাজ পুলিশ করেছে। এইভাবে অভিযান চালিয়ে পুরো বাঁকড়া ইউনিয়নে মাদক ও অনলাইন জুয়া বন্ধ করতে হবে। মাদকের বিস্তাররোধে পুলিশের এমন মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনগন।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া এএসপি সার্কেল (নাভারন) আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন ঝিকরগাছা উপজেলায় কোন মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারী, মাদক কারবারির সাথে জড়ীত আছে এমন কাউকে থাকতে দেওয়া হবে না, যে কোনো মূল্যে আমরা এদেরকে নির্মূল করব, প্রয়োজনে এদের গডফাদারকে ধরতে আমরা আরো কঠিন ভাবে অভিযান চালাতে দ্বিধাবোধ করব না।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের মাদক বিরুধী আইনে মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরন করা হবে বলে জানান।























