০১:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

অপপ্রচারের প্রতিবাদে প্রভাষক মামুনুর রশীদের সংবাদ সম্মেলন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৪৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৩০

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিজের বিরুদ্ধে প্রচারিত মনগড়া ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শার্শা উপজেলা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মামুনুর রশীদ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট-২০২৬) বিকেলে নাভারণ ইসলামপুর মোড়স্থ ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (শার্শা উপজেলা শাখা)-র সভাপতি, নাভারণ প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মামুনুর রশীদ বলেন, “আমি দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছি। আমার প্রয়াত দাদা মৌলভী আব্দুর রহমান ও পিতা নিজাম উদ্দিন মাস্টারও শিক্ষক ছিলেন। আমার পিতা টানা ২৫ বছর শার্শা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের পরিবার দীর্ঘ দিন ধরে সামাজিক ও ধর্মীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত।”

ছাত্রজীবনে খুলনার আজম খান কমার্স কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতির হাতেখড়ি বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির দুর্দিনে শার্শা উপজেলা বিএনপির দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি ২০১৬ সালে গঠিত উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।

নাভারণ বুরুজ বাগান বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, উক্ত পদের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা প্রশাসক এবং যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে তিনি ১ নম্বর ক্রমিকে ছিলেন। কিন্তু রহস্যজনক ও অদৃশ্য কারণে অন্য একজনকে সভাপতি ঘোষণা করা হয়। তা সত্ত্বেও তিনি নতুন সভাপতিকে স্বাগত জানান। পরবর্তীতে উক্ত বিতর্কিত এডহক কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে গত (মঙ্গলবার-১৮ আগস্ট) স্থানীয় অভিভাবক ও সুশীল সমাজ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এরই জেরে নতুন কমিটির সভাপতি (১৮ আগস্ট) একই দিন সন্ধ্যায় বেনাপোলে সংবাদ সম্মেলন করে তাকে জড়িয়ে নানা মিথ্যা বক্তব্য দেন, যার তিনি তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেন।

গত (সোমবার-২৪ আগস্ট) নাভারণে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ছুটির দিন ব্যতিরেকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আমি কর্মস্থল শার্শা উপজেলা কলেজে অবস্থান করি, যা কলেজের সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট সংরক্ষিত আছে। অথচ গত (২৪ আগস্ট) একই দিন বিকেলে বেনাপোল কাস্টমস অফিসের সামনে আমার নামে মানববন্ধন করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল চক্রান্তমূলকভাবে আমাকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়াচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে তিনি এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ আইনি তদন্ত দাবি জানান। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের প্রতি বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরার অনুরোধ জানিয়ে এলাকায় শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

অপপ্রচারের প্রতিবাদে প্রভাষক মামুনুর রশীদের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: ০৮:৪৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিজের বিরুদ্ধে প্রচারিত মনগড়া ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শার্শা উপজেলা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মামুনুর রশীদ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট-২০২৬) বিকেলে নাভারণ ইসলামপুর মোড়স্থ ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (শার্শা উপজেলা শাখা)-র সভাপতি, নাভারণ প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মামুনুর রশীদ বলেন, “আমি দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছি। আমার প্রয়াত দাদা মৌলভী আব্দুর রহমান ও পিতা নিজাম উদ্দিন মাস্টারও শিক্ষক ছিলেন। আমার পিতা টানা ২৫ বছর শার্শা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের পরিবার দীর্ঘ দিন ধরে সামাজিক ও ধর্মীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত।”

ছাত্রজীবনে খুলনার আজম খান কমার্স কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতির হাতেখড়ি বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির দুর্দিনে শার্শা উপজেলা বিএনপির দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি ২০১৬ সালে গঠিত উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।

নাভারণ বুরুজ বাগান বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, উক্ত পদের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা প্রশাসক এবং যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে তিনি ১ নম্বর ক্রমিকে ছিলেন। কিন্তু রহস্যজনক ও অদৃশ্য কারণে অন্য একজনকে সভাপতি ঘোষণা করা হয়। তা সত্ত্বেও তিনি নতুন সভাপতিকে স্বাগত জানান। পরবর্তীতে উক্ত বিতর্কিত এডহক কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে গত (মঙ্গলবার-১৮ আগস্ট) স্থানীয় অভিভাবক ও সুশীল সমাজ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এরই জেরে নতুন কমিটির সভাপতি (১৮ আগস্ট) একই দিন সন্ধ্যায় বেনাপোলে সংবাদ সম্মেলন করে তাকে জড়িয়ে নানা মিথ্যা বক্তব্য দেন, যার তিনি তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেন।

গত (সোমবার-২৪ আগস্ট) নাভারণে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ছুটির দিন ব্যতিরেকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আমি কর্মস্থল শার্শা উপজেলা কলেজে অবস্থান করি, যা কলেজের সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট সংরক্ষিত আছে। অথচ গত (২৪ আগস্ট) একই দিন বিকেলে বেনাপোল কাস্টমস অফিসের সামনে আমার নামে মানববন্ধন করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল চক্রান্তমূলকভাবে আমাকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়াচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে তিনি এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ আইনি তদন্ত দাবি জানান। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের প্রতি বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরার অনুরোধ জানিয়ে এলাকায় শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।