০৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

শার্শায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার ১ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:০৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • /

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শায় প্রাইমারী স্কুল পড়ুয়া ভাতিজিকে (১১) ধর্ষণের অভিযোগে মকছেদ আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলা দায়েরের মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মকছেদ আলী শার্শা উপজেলার মহিষা (মোল্লাপাড়া) গ্রামের মৃত কোরবান আলী মোড়লের ছেলে। সম্পর্কে তিনি ভিকটিমের প্রতিবেশী এবং চাচা (মেঝ আব্বু) হন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মোছাঃ আরুবী খাতুন মহিষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। গত (১২ আগস্ট-২০২৬) বিকেল ৫টার দিকে ভিকটিম তার প্রতিবেশী চাচার বাড়িতে খেলতে যায়। এ সময় অভিযুক্ত মকছেদ আলী তাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রামের এক ঘেরের পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের পর মেয়েটির হাতে ২০ টাকা গুঁজে দিয়ে কাউকে কিছু না বলতে হুমকি দেয় অভিযুক্ত।

ঘটনার পর থেকে ভয়ে ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে প্রতিবেশী এক খালার কাছে বিষয়টি প্রকাশ করলে স্বজনরা ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন। এ ঘটনায় (১৯ আগস্ট) মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ভিকটিমের বাবা মোঃ মাওলা বকস বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর যশোর জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোঃ মোস্তাক আহামেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযানে নামে। তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে রাত ৩টা ৫ মিনিটে মহিষা এলাকা থেকেই মূল অভিযুক্ত মকছেদ আলীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

এ বিষয়ে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শামিনুল হক জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ তৎপর হয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ধৃত আসামিকে বুধবার বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।”

Please Share This Post in Your Social Media

শার্শায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার ১ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

আপডেট: ০৪:০৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শায় প্রাইমারী স্কুল পড়ুয়া ভাতিজিকে (১১) ধর্ষণের অভিযোগে মকছেদ আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলা দায়েরের মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মকছেদ আলী শার্শা উপজেলার মহিষা (মোল্লাপাড়া) গ্রামের মৃত কোরবান আলী মোড়লের ছেলে। সম্পর্কে তিনি ভিকটিমের প্রতিবেশী এবং চাচা (মেঝ আব্বু) হন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মোছাঃ আরুবী খাতুন মহিষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। গত (১২ আগস্ট-২০২৬) বিকেল ৫টার দিকে ভিকটিম তার প্রতিবেশী চাচার বাড়িতে খেলতে যায়। এ সময় অভিযুক্ত মকছেদ আলী তাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রামের এক ঘেরের পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের পর মেয়েটির হাতে ২০ টাকা গুঁজে দিয়ে কাউকে কিছু না বলতে হুমকি দেয় অভিযুক্ত।

ঘটনার পর থেকে ভয়ে ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে প্রতিবেশী এক খালার কাছে বিষয়টি প্রকাশ করলে স্বজনরা ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন। এ ঘটনায় (১৯ আগস্ট) মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ভিকটিমের বাবা মোঃ মাওলা বকস বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর যশোর জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোঃ মোস্তাক আহামেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযানে নামে। তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে রাত ৩টা ৫ মিনিটে মহিষা এলাকা থেকেই মূল অভিযুক্ত মকছেদ আলীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

এ বিষয়ে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শামিনুল হক জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ তৎপর হয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ধৃত আসামিকে বুধবার বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।”