১১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান, স্বাগত জানাতে মানুষের ঢল

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৩৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেড় যুগ পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জ থেকে বেরিয়ে পূর্বনির্ধারিত বাসে করে পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) এলাকায় গণসংবর্ধনার সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। তাকে একনজর দেখতে সড়কের উভয় পাশে অবস্থান নিয়েছেন সমর্থক ও নেতাকর্মীরা। তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে পুরো রাজধানীজুড়ে মানুষের ঢল নেমেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’র উদ্দেশে রওনা হন তিনি। বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালের সামনে থেকে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানসংবলিত লাল রঙের বাসে উঠে যাত্রা শুরু করেন তারেক রহমান। বাসের সামনের অংশে দাঁড়িয়ে তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

বিমানবন্দরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের দেওয়া সংবর্ধনা গ্রহণ শেষে দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিটে গাড়িবহর নিয়ে তিনি বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। এ সময় পুরো এলাকা নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও ছিল সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায়।

এর আগে বিমানবন্দরে পৌঁছে তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ের পথে তার যাত্রাকালে রাস্তার দুই পাশে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অবস্থান নেন। দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে ভিড় জমান সমর্থকেরা।

এর আগে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে সংলগ্ন বাগানে কিছুক্ষণ খালি পায়ে দাঁড়িয়ে থাকেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি একমুঠো মাটি হাতে তুলে নেন, যা উপস্থিতদের আবেগাপ্লুত করে তোলে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন। এরপর গুলশানের বাসভবনে অবস্থান করবেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন সম্পন্নের পর ভিআইপি লাউঞ্জে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। এরপর স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

এর আগে বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার (বিজি-২০২) ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে বিমানটি সিলেটে অবতরণ করে। সেখানে ঘণ্টাখানেক যাত্রাবিরতির পর সকাল ১১টা ৪ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে বিমানটি।

Please Share This Post in Your Social Media

জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান, স্বাগত জানাতে মানুষের ঢল

আপডেট: ০৩:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেড় যুগ পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জ থেকে বেরিয়ে পূর্বনির্ধারিত বাসে করে পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) এলাকায় গণসংবর্ধনার সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। তাকে একনজর দেখতে সড়কের উভয় পাশে অবস্থান নিয়েছেন সমর্থক ও নেতাকর্মীরা। তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে পুরো রাজধানীজুড়ে মানুষের ঢল নেমেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’র উদ্দেশে রওনা হন তিনি। বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালের সামনে থেকে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানসংবলিত লাল রঙের বাসে উঠে যাত্রা শুরু করেন তারেক রহমান। বাসের সামনের অংশে দাঁড়িয়ে তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

বিমানবন্দরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের দেওয়া সংবর্ধনা গ্রহণ শেষে দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিটে গাড়িবহর নিয়ে তিনি বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। এ সময় পুরো এলাকা নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও ছিল সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায়।

এর আগে বিমানবন্দরে পৌঁছে তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ের পথে তার যাত্রাকালে রাস্তার দুই পাশে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অবস্থান নেন। দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে ভিড় জমান সমর্থকেরা।

এর আগে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে সংলগ্ন বাগানে কিছুক্ষণ খালি পায়ে দাঁড়িয়ে থাকেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি একমুঠো মাটি হাতে তুলে নেন, যা উপস্থিতদের আবেগাপ্লুত করে তোলে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন। এরপর গুলশানের বাসভবনে অবস্থান করবেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন সম্পন্নের পর ভিআইপি লাউঞ্জে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। এরপর স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

এর আগে বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার (বিজি-২০২) ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে বিমানটি সিলেটে অবতরণ করে। সেখানে ঘণ্টাখানেক যাত্রাবিরতির পর সকাল ১১টা ৪ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে বিমানটি।