০৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান : ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, টিয়ারশেল নিক্ষেপ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৫৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : সংসদ ভবন এলাকায় প্রবেশ করা ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ ধাওয়া দিয়ে বের করে দিয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। শুক্রবার দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে এই ঘটনা ঘটে। এতে বিক্ষিপ্ত জুলাই সদস্যরা সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেট ভেঙে ফেলেন। তারা বাইরে বের হয়ে বেশ কয়েকটি ট্রাক ও বাস ভাঙচুর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। রণক্ষেত্রে রূপ নেয় মানিক মিয়া এভিনিউ। যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ভাঙচুর করা গাড়িগুলোর মধ্যে দুইটি পুলিশের গাড়ি রয়েছে। গাড়ি ভাঙচুর করার সময় পুলিশ সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দিলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এই মুহূর্তে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে। পুলিশকে লাঠিচার্জ করতেও দেখা গেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহতও হয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভের পর সকালে ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধা’ ব্যানারে শতাধিক মানুষ সংসদ ভবন এলাকার ১২ নম্বর গেটের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দেন। শুক্রবার সকালে তারা সংসদ ভবন এলাকার ১২ নম্বর গেট টপকে ভেতরে ঢোকেন। মঞ্চের সামনে অতিথিদের চেয়ারে বসে স্লোগান দিতে থাকেন। তারা অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও জুলাই আহতদের বীর হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়াসহ ৩ দফা দাবিতে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাদের অন্য দুই দাবি- আহতদের জন্য আইনগত সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং দাবিগুলো জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ এ অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান : ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, টিয়ারশেল নিক্ষেপ

আপডেট: ০৩:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : সংসদ ভবন এলাকায় প্রবেশ করা ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ ধাওয়া দিয়ে বের করে দিয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। শুক্রবার দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে এই ঘটনা ঘটে। এতে বিক্ষিপ্ত জুলাই সদস্যরা সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেট ভেঙে ফেলেন। তারা বাইরে বের হয়ে বেশ কয়েকটি ট্রাক ও বাস ভাঙচুর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। রণক্ষেত্রে রূপ নেয় মানিক মিয়া এভিনিউ। যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ভাঙচুর করা গাড়িগুলোর মধ্যে দুইটি পুলিশের গাড়ি রয়েছে। গাড়ি ভাঙচুর করার সময় পুলিশ সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দিলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এই মুহূর্তে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে। পুলিশকে লাঠিচার্জ করতেও দেখা গেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহতও হয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভের পর সকালে ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধা’ ব্যানারে শতাধিক মানুষ সংসদ ভবন এলাকার ১২ নম্বর গেটের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দেন। শুক্রবার সকালে তারা সংসদ ভবন এলাকার ১২ নম্বর গেট টপকে ভেতরে ঢোকেন। মঞ্চের সামনে অতিথিদের চেয়ারে বসে স্লোগান দিতে থাকেন। তারা অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও জুলাই আহতদের বীর হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়াসহ ৩ দফা দাবিতে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাদের অন্য দুই দাবি- আহতদের জন্য আইনগত সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং দাবিগুলো জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ এ অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।