০৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

যশোর বেনাপোল মহাসড়কের পাশ থেকে জীবিত গাছ উধাও

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৪২:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১০২

আশরাফুজ্জামান বাবু, স্টাফ রিপোর্টার : যশোর বেনাপোল মহাসড়কের দুপাশে অবস্থিত মানুষের জান ও মালের জন্য হুমকি স্বরুপ মৃত এবং ঝুকিপূর্ণ গাছের ডালপালা অপসারণের কাজ চলছে। শুধুমাত্র শুকনো ও ঝুকিপূর্ণ গাছ অপসারণের কথা থাকলেও এরই মাঝে জীবিত গাছও কেটে আত্মসাৎ এর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

গদখালি ইউনিয়নের বেনেয়ালি কলোনি পাড়ায় রতনের নারিকেল বাগানের সামনে মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি আকাশমনি গাছ এবং গদখালি কালী মন্দির পার হয়ে মঠবাড়ি শাহাজানের বাড়ির সামনে থেকে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। গাছ দুটির আনুমানিক মুল্য ৫০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দা সেলিম হোসেন বলেন, রাস্তার রেইনট্রি গাছ কাটার সময়ে ৫০ হাজার টাকা মুল্যের এই গাছ দুটি কেটে নিয়ে গিয়েছে।

গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা মিলন হোসেন জানান, আকাশমনি গাছ বন বিভাগ কেটে বেনেয়ালি গীর্জার সামনে রেখে দিয়েছে। তবে অনুসন্ধানে সেখানে এই গাছের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। আর কৃষ্ণচুড়া গাছ কারা নিয়েছে সেটা তিনি জানেননা বলে জানান।

ঝিকরগাছা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা ইউনুস আলী বলেন, আমরা কেনো জীবিত গাছ কাটিনি। যদি কেউ কেটে থাকে তাহলে আমাদের অজান্তে অসৎ উদ্দেশ্যে কেটেছে।

মৃত ও ঝুকিপূর্ণ গাছ অপসারণ কমিটির আহবায়ক, ঝিকরগাছা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারোয়ার বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনি লোকেশন দেন, আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো।

উল্লেখ্য চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল যশোর জেলা পরিষদ থেকে ঝিকরগাছা ও শার্শা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়ে এন-৭০৬ মহাসড়কের পাশে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন জমিতে থাকা মৃত ও অর্ধমৃত গাছ অপসারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এদিকে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জীবিত গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। তারা এর সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

যশোর বেনাপোল মহাসড়কের পাশ থেকে জীবিত গাছ উধাও

আপডেট: ০৩:৪২:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আশরাফুজ্জামান বাবু, স্টাফ রিপোর্টার : যশোর বেনাপোল মহাসড়কের দুপাশে অবস্থিত মানুষের জান ও মালের জন্য হুমকি স্বরুপ মৃত এবং ঝুকিপূর্ণ গাছের ডালপালা অপসারণের কাজ চলছে। শুধুমাত্র শুকনো ও ঝুকিপূর্ণ গাছ অপসারণের কথা থাকলেও এরই মাঝে জীবিত গাছও কেটে আত্মসাৎ এর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

গদখালি ইউনিয়নের বেনেয়ালি কলোনি পাড়ায় রতনের নারিকেল বাগানের সামনে মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি আকাশমনি গাছ এবং গদখালি কালী মন্দির পার হয়ে মঠবাড়ি শাহাজানের বাড়ির সামনে থেকে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। গাছ দুটির আনুমানিক মুল্য ৫০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দা সেলিম হোসেন বলেন, রাস্তার রেইনট্রি গাছ কাটার সময়ে ৫০ হাজার টাকা মুল্যের এই গাছ দুটি কেটে নিয়ে গিয়েছে।

গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা মিলন হোসেন জানান, আকাশমনি গাছ বন বিভাগ কেটে বেনেয়ালি গীর্জার সামনে রেখে দিয়েছে। তবে অনুসন্ধানে সেখানে এই গাছের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। আর কৃষ্ণচুড়া গাছ কারা নিয়েছে সেটা তিনি জানেননা বলে জানান।

ঝিকরগাছা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা ইউনুস আলী বলেন, আমরা কেনো জীবিত গাছ কাটিনি। যদি কেউ কেটে থাকে তাহলে আমাদের অজান্তে অসৎ উদ্দেশ্যে কেটেছে।

মৃত ও ঝুকিপূর্ণ গাছ অপসারণ কমিটির আহবায়ক, ঝিকরগাছা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারোয়ার বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনি লোকেশন দেন, আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো।

উল্লেখ্য চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল যশোর জেলা পরিষদ থেকে ঝিকরগাছা ও শার্শা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়ে এন-৭০৬ মহাসড়কের পাশে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন জমিতে থাকা মৃত ও অর্ধমৃত গাছ অপসারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এদিকে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জীবিত গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। তারা এর সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।