১১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬

রামিসা হত্যা: আদালতে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৩৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • / ১৩

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে আট বছরের শিশু রামিসাকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কারাগার থেকে আদালতে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) সকাল পৌঁনে আটটার দিকে আদালতে নেওয়া হয় তাদের। আসামিদের উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে তাদের বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।

মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে এরইমধ্যে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। তার স্ত্রী স্বপ্নাকে নারী হাজতখানায় রাখা হয়েছে।

১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ খণ্ডিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর সোহেল রানা ফ্ল্যাটটির শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। পরে নিহত রামিসার বাবা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই সন্ধ্যায় তাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরদিন, ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন সোহেল রানা।

Please Share This Post in Your Social Media

রামিসা হত্যা: আদালতে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী

আপডেট: ১১:৩৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে আট বছরের শিশু রামিসাকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কারাগার থেকে আদালতে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) সকাল পৌঁনে আটটার দিকে আদালতে নেওয়া হয় তাদের। আসামিদের উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে তাদের বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।

মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে এরইমধ্যে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। তার স্ত্রী স্বপ্নাকে নারী হাজতখানায় রাখা হয়েছে।

১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ খণ্ডিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর সোহেল রানা ফ্ল্যাটটির শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। পরে নিহত রামিসার বাবা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই সন্ধ্যায় তাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরদিন, ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন সোহেল রানা।