১০:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জামায়াতের সমাবেশের প্রথম পর্ব চলছে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:৪২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • / ৭৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামীর প্রথম পর্বের সমাবেশ শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে এই অনুষ্ঠান শুরু হয়।

সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর আয়োজনে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এদিন দুপুর ২টায় সমাবেশের মূল পর্বে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথমবারের মতো সমাবেশ করছে জামায়াতে ইসলামী। সমাবেশ ঘিরে ইতিমধ্যে নেতা-কর্মীদের ঢল নেমেছে উদ্যান এলাকায়। গতকাল রাত থেকেই সমাবেশস্থলে অবস্থান নিয়েছেন নেতা-কর্মীরা। ফজরের পর কার্যত পূর্ণ হয়ে যায় সভাস্থল।

সরজমিনে দেখা যায়, শনিবার সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জমায়েত হতে থাকেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা। কেউ আসছেন বাসে, কেউবা হেঁটে। ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে দলে দলে লোকজনের আগমন ঘটে। ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলের দিকে যাচ্ছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। মিছিলে সমাবেশ সফল হোক বলে স্লোগান দিচ্ছেন তারা। ভোর থেকেই নেতা-কর্মীদের স্রোতের কারণে শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় যান চলাচলে ধীরগতি লক্ষ করা যায়। নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন দলটির সেচ্ছাসেবকরা। সমাবেশ সফল করতে দলীয় নেতারা মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশপাশে রাত থেকেই দলীয় পতাকা ও দলের নাম লেখা গেঞ্জিসহ বিভিন্ন প্রকাশনা বিক্রির ধুম পড়েছে।

অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করাসহ ৭ দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী ‘জাতীয় সমাবেশ’ কর্মসূচি দিয়েছে।

যে সাত দফা দাবিতে আয়োজিত হচ্ছে এই জাতীয় সমাবেশ-

১. ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ও অন্যান্য সময় সংঘটিত সকল গণহত্যার বিচার।

২. রাষ্ট্রের সব স্তরে প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার।

৩. ঐতিহাসিক জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্রের পূর্ণ বাস্তবায়ন।

৪. জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন।

৫. জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন।

৬. প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ।

৭. রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ ও ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিতকরণ।

Please Share This Post in Your Social Media

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জামায়াতের সমাবেশের প্রথম পর্ব চলছে

আপডেট: ১২:৪২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামীর প্রথম পর্বের সমাবেশ শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে এই অনুষ্ঠান শুরু হয়।

সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর আয়োজনে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এদিন দুপুর ২টায় সমাবেশের মূল পর্বে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথমবারের মতো সমাবেশ করছে জামায়াতে ইসলামী। সমাবেশ ঘিরে ইতিমধ্যে নেতা-কর্মীদের ঢল নেমেছে উদ্যান এলাকায়। গতকাল রাত থেকেই সমাবেশস্থলে অবস্থান নিয়েছেন নেতা-কর্মীরা। ফজরের পর কার্যত পূর্ণ হয়ে যায় সভাস্থল।

সরজমিনে দেখা যায়, শনিবার সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জমায়েত হতে থাকেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা। কেউ আসছেন বাসে, কেউবা হেঁটে। ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে দলে দলে লোকজনের আগমন ঘটে। ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলের দিকে যাচ্ছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। মিছিলে সমাবেশ সফল হোক বলে স্লোগান দিচ্ছেন তারা। ভোর থেকেই নেতা-কর্মীদের স্রোতের কারণে শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় যান চলাচলে ধীরগতি লক্ষ করা যায়। নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন দলটির সেচ্ছাসেবকরা। সমাবেশ সফল করতে দলীয় নেতারা মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশপাশে রাত থেকেই দলীয় পতাকা ও দলের নাম লেখা গেঞ্জিসহ বিভিন্ন প্রকাশনা বিক্রির ধুম পড়েছে।

অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করাসহ ৭ দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী ‘জাতীয় সমাবেশ’ কর্মসূচি দিয়েছে।

যে সাত দফা দাবিতে আয়োজিত হচ্ছে এই জাতীয় সমাবেশ-

১. ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ও অন্যান্য সময় সংঘটিত সকল গণহত্যার বিচার।

২. রাষ্ট্রের সব স্তরে প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার।

৩. ঐতিহাসিক জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্রের পূর্ণ বাস্তবায়ন।

৪. জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন।

৫. জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন।

৬. প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ।

৭. রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ ও ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিতকরণ।