নড়াইলে বিএনপি নেতার উপর ককটেল হামলার অভিযোগ : এলাকা জুড়ে আতংক
নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের সদর উপজেলার বিছালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম সান্টুর উপর ককটেল বিস্ফোরণের করেছন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতা। বুধবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১দিকে মধুরগাতি মোল্যা বাড়ির পারিবারিক কবর স্থানের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
সান্টুর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে যানা যায়, রাশেদুল ইসলাম সান্টু মধুরগাতি বনিক সমিতির সভাপতি হওয়ার কারনে বাজারের প্রয়োজনীয় কাজ শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ি ফেরার পথে মধুরগাতি পারিবারিক কবর স্থানে পৌছালে তাকে উদ্দেশ্য করে মশিয়ার ফকির তার দলবল নিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ করে দ্রুত পালিয়ে যায়। তবে ককটেলটি লক্ষভ্রষ্ট হওয়ায় তার হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি।
রাসেদুল ইসলাম সান্টু বলেন, আমি বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। কবর স্থান এলাকায় পৌছালে আমার উপর বোমা হামলা করেন। দৌড়ে বাড়ি গিয়ে লোকজন সাথে নিয়ে পুনরায় ঘটনাস্থলে ফিরে আসি এবং প্রশাসনকে জানাই
এ ঘটনায় আমি ও আমার পরিবার আতংক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। বিছালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা মশিয়ার ফকির পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আমি ধারনা করছি।
মধুরগাতি গ্রামের মোল্যা সাইন আলম বলেন, বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম। বিকট শব্দ শুনে বাইরে এসে দেখি ধোয়া ধোয়া হয়ে গেছে। লোকজন দৌড়ে আসছে। কিছু সময় পর ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে আলামত সংগ্রহ করেছেন।
বিছালী ইউনিয়ন বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হালিম মোল্যা বলেন, সান্টুর উপর বোমা হামলা ঘটনায় এলাকা জুড়ে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। যারা এই বোমা হামলার সাথে জড়িত তাদের দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। এই গ্রামে এহেন ঘটনা পূর্বে ঘটে নাই।
বিছালী ইউনিয়ন মির্জাপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, খবর শুনে ঘটনাস্থলে পৌছে ককটেলের কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। কে বা কারা এটি ঘটিয়েছে এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।