০৪:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

পিছু হটেছে নেপাল সরকার, সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৬৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নেপালে পুলিশের সঙ্গে সহিংস সংঘর্ষে ১৯ জন নিহত হওয়ার পর সরকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) হাজার হাজার তরুণ কাঠমাণ্ডুর পার্লামেন্ট ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন এবং ২৬টি সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান। এই বিক্ষোভে ৩০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়।

বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেছেন, দুর্নীতি ঢাকতেই ফেসবুক, ইউটিউবের মতো সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে এই দাবি মেনে নেওয়া হয়। নেপালের যোগাযোগ ও তথ্যমন্ত্রী পৃথ্বী সুব্বা গুরুং সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সরকার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে।

নেপালে ইনস্টাগ্রামের লাখ লাখ ব্যবহারকারী রয়েছে, যারা এটিকে বিনোদন, সংবাদ ও ব্যবসায়ের কাজে ব্যবহার করে। তবে সরকারের দাবিতে গত সপ্তাহে অনলাইনে গুজব, প্রতারণা ও ঘৃণ্য বক্তব্য রোধের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

প্রাথমিকভাবে শিক্ষার্থী ও যুবকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করলেও, ধীরে ধীরে এটি সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। কাঠমান্ডুর বাণেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের গুলিতে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছে।

বিক্ষোভের চাপের মুখে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক পদত্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে সরকারিভাবে নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে, যা নেপালের আইন ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

Please Share This Post in Your Social Media

পিছু হটেছে নেপাল সরকার, সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

আপডেট: ১২:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নেপালে পুলিশের সঙ্গে সহিংস সংঘর্ষে ১৯ জন নিহত হওয়ার পর সরকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) হাজার হাজার তরুণ কাঠমাণ্ডুর পার্লামেন্ট ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন এবং ২৬টি সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান। এই বিক্ষোভে ৩০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়।

বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেছেন, দুর্নীতি ঢাকতেই ফেসবুক, ইউটিউবের মতো সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে এই দাবি মেনে নেওয়া হয়। নেপালের যোগাযোগ ও তথ্যমন্ত্রী পৃথ্বী সুব্বা গুরুং সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সরকার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে।

নেপালে ইনস্টাগ্রামের লাখ লাখ ব্যবহারকারী রয়েছে, যারা এটিকে বিনোদন, সংবাদ ও ব্যবসায়ের কাজে ব্যবহার করে। তবে সরকারের দাবিতে গত সপ্তাহে অনলাইনে গুজব, প্রতারণা ও ঘৃণ্য বক্তব্য রোধের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

প্রাথমিকভাবে শিক্ষার্থী ও যুবকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করলেও, ধীরে ধীরে এটি সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। কাঠমান্ডুর বাণেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের গুলিতে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছে।

বিক্ষোভের চাপের মুখে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক পদত্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে সরকারিভাবে নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে, যা নেপালের আইন ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।