১১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সিঁদুরের রঙে বিদায়ের আবেগ, দুর্গোৎসবের শেষ দিনে মাতলেন খুলনার নারীরা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৩

রাসেল আহমেদ, খুলনা ব্যুরো: ঢাকের বাদ্য, সিঁদুরের লাল রং আর বিদায়ের আবেগে মুখর খুলনার পূজামণ্ডপগুলো। শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিন বিজয়া দশমীতে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীরা। আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর মুহূর্তে তাঁদের চোখেমুখে ফুটে ওঠে আবেগের ছাপ।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দশমী বিহিত পূজা ও অপরাজিতা পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে শুরু হয় সিঁদুর খেলা। প্রথমে দেবী দুর্গার চরণে সিঁদুর অর্পণ করেন বিবাহিত নারীরা। পরে দেবীর সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে পরিবার ও স্বজনদের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেন তাঁরা।

এরপর একে অপরের সিঁথি ও গালে সিঁদুর মাখিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। লাল সিঁদুরে রঙিন হয়ে ওঠে তাঁদের মুখমণ্ডল। ঢাকের তালে তালে আনন্দে মেতে ওঠেন নারীরা। তাঁদের হাসি, উচ্ছ্বাস আর উৎসবের রঙে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপের পরিবেশ।

সিঁদুর খেলা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। তাঁদের বিশ্বাস, এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংসারের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। তাই বিজয়া দশমীর এই বিশেষ মুহূর্তে একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন নারীরা।

তবে আনন্দের আড়ালেও ছিল বিদায়ের বেদনা। কয়েক দিনের পূজা-অর্চনা, উৎসব আর মিলনমেলার পর এবার দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর পালা। তাই সিঁদুর খেলার উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ভক্তদের মনে ছিল আগামী বছর আবারও দেবীর আগমনের অপেক্ষা।

সিঁদুরের লাল রং, ঢাকের বাদ্য আর ভক্তদের আবেগঘন উপস্থিতিতে খুলনার পূজামণ্ডপগুলোতে বিজয়া দশমীর আয়োজন হয়ে ওঠে উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে দুর্গোৎসবের শেষ দিনটি উদ্‌যাপন করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

সিঁদুরের রঙে বিদায়ের আবেগ, দুর্গোৎসবের শেষ দিনে মাতলেন খুলনার নারীরা

আপডেট: ১০:৫৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

রাসেল আহমেদ, খুলনা ব্যুরো: ঢাকের বাদ্য, সিঁদুরের লাল রং আর বিদায়ের আবেগে মুখর খুলনার পূজামণ্ডপগুলো। শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিন বিজয়া দশমীতে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীরা। আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর মুহূর্তে তাঁদের চোখেমুখে ফুটে ওঠে আবেগের ছাপ।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দশমী বিহিত পূজা ও অপরাজিতা পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে শুরু হয় সিঁদুর খেলা। প্রথমে দেবী দুর্গার চরণে সিঁদুর অর্পণ করেন বিবাহিত নারীরা। পরে দেবীর সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে পরিবার ও স্বজনদের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেন তাঁরা।

এরপর একে অপরের সিঁথি ও গালে সিঁদুর মাখিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। লাল সিঁদুরে রঙিন হয়ে ওঠে তাঁদের মুখমণ্ডল। ঢাকের তালে তালে আনন্দে মেতে ওঠেন নারীরা। তাঁদের হাসি, উচ্ছ্বাস আর উৎসবের রঙে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপের পরিবেশ।

সিঁদুর খেলা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। তাঁদের বিশ্বাস, এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংসারের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। তাই বিজয়া দশমীর এই বিশেষ মুহূর্তে একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন নারীরা।

তবে আনন্দের আড়ালেও ছিল বিদায়ের বেদনা। কয়েক দিনের পূজা-অর্চনা, উৎসব আর মিলনমেলার পর এবার দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর পালা। তাই সিঁদুর খেলার উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ভক্তদের মনে ছিল আগামী বছর আবারও দেবীর আগমনের অপেক্ষা।

সিঁদুরের লাল রং, ঢাকের বাদ্য আর ভক্তদের আবেগঘন উপস্থিতিতে খুলনার পূজামণ্ডপগুলোতে বিজয়া দশমীর আয়োজন হয়ে ওঠে উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে দুর্গোৎসবের শেষ দিনটি উদ্‌যাপন করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।