শার্শায় ৫২ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার, অপহরণ মামলায় যুবক আটক
- আপডেট: ১১:২১:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
- / ৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই দিনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় এক যুবককে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট-২০২৬) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে শার্শা থানার এসআই শেখ মো. জাহিদুল আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাভারণের যাদবপুর শান্তিপুর পাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় টুলু সাহেবের বাড়ি ও সমাধান এনজিওর উত্তর পাশে পাকা রাস্তা থেকে মো. আব্দুর রহিম ওরফে ময়না (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার হেফাজত থেকে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার সাদিরালী গ্রামের বাসিন্দা।
এর আগে একই দিন দুপুর ২টা ৫ মিনিটে শার্শার বাগুড়ী এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই গোরাচাঁদ দাশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বাগআঁচড়ার বাগুড়ী গ্রামের বেলতলা বাজারে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের সামনে থেকে মো. শরিফুল ইসলাম (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে সাত পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। শরিফুল ঝিকরগাছা উপজেলার জগদানন্দকাটি গ্রামের বাসিন্দা।
পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শার্শার কাশিপুর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়। এসআই মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল নারী পুলিশের সহায়তায় কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠের দক্ষিণ পাশে স্কুল ভবনসংলগ্ন একটি বাড়ির সামনে কাঁচা রাস্তা থেকে মোছা. আছিয়া বেগম (২৮) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তিনি কাশিপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এদিকে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শার্শা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার এজাহারনামীয় আসামি নূর মোহাম্মাদ বাবু (২১)কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি শার্শার চান্দুড়িয়ার ঘোপ এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, ওই মামলায় এক কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অভিযোগ করা হয়েছিল। গ্রেপ্তার নূর মোহাম্মাদ বাবুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।
শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামিনুল হক জানান, ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মামলার আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষে তাদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।





















