০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

হাসিনা-খালেদার স্মৃতি বিজড়িত সেই দালানে উঠবেন শফিকুর?

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৪৭:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১০

এক সময় ভবনটি ছিল লাল রঙের। তবে এখন সংস্কার কাজের মধ্যে সেই রং আর নেই।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য বরাদ্দ করা বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে পুরোদমে। তবে সেই বাড়িতে তিনি উঠবেন কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দলটি।

রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর বাড়ি বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘদিন ধরে সেই বাড়িটি খালি পড়ে থাকায় অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। সে কারণে

মেরামত ও সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় কাজ চলছে পুরোদমে।।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন প্রকৌশলী জানান, বাড়িটি বিরোধীদলীয় নেতার বসবাসের উপযোগী করতে ‘কমপক্ষে একমাস’ সময় লাগবে।

পুরনো আমলের দোতলা ভবনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুটি অধ্যায়। এক সময় ভবনটি ছিল লাল রঙের। তবে এখন সংস্কার কাজের মধ্যে সেই রং আর নেই।

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এই বাড়িতে উঠেছিলেন।

এরপর ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত এখানেই নিয়মিত অফিস করেছেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বাড়িটি তখন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সরগরম থাকত। মানুষের যাতায়াতে প্রাণবন্ত থাকত চারপাশ।

২০০১ সালে তিনি বাসাটি ছেড়ে দেওয়ার পর গত ২৫ বছর কোনো বিরোধী দলীয় নেতা সেখানে ওঠেননি।

বাড়িটির বরাদ্দ ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান, “সরকার বিরোধদলীয় নেতার জন্য এই বাড়িটি বরাদ্দ রেখেছে। আমাদের লোকজন সংস্কার কাজ করছে।

“সংস্কার শেষ হলে তখন আমরা বলব যে বাড়িটি বসবাসের উপযোগী হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা থাকলে আমরা বুঝিয়ে দেব।”

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ প্রতিবেদককে জানান, “বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ মিন্টো রোডের বাড়িটি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে এখানে উনি থাকবেন কী না সে সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

হাসিনা-খালেদার স্মৃতি বিজড়িত সেই দালানে উঠবেন শফিকুর?

আপডেট: ১১:৪৭:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এক সময় ভবনটি ছিল লাল রঙের। তবে এখন সংস্কার কাজের মধ্যে সেই রং আর নেই।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য বরাদ্দ করা বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে পুরোদমে। তবে সেই বাড়িতে তিনি উঠবেন কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দলটি।

রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর বাড়ি বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘদিন ধরে সেই বাড়িটি খালি পড়ে থাকায় অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। সে কারণে

মেরামত ও সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় কাজ চলছে পুরোদমে।।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন প্রকৌশলী জানান, বাড়িটি বিরোধীদলীয় নেতার বসবাসের উপযোগী করতে ‘কমপক্ষে একমাস’ সময় লাগবে।

পুরনো আমলের দোতলা ভবনটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুটি অধ্যায়। এক সময় ভবনটি ছিল লাল রঙের। তবে এখন সংস্কার কাজের মধ্যে সেই রং আর নেই।

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এই বাড়িতে উঠেছিলেন।

এরপর ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত এখানেই নিয়মিত অফিস করেছেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বাড়িটি তখন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সরগরম থাকত। মানুষের যাতায়াতে প্রাণবন্ত থাকত চারপাশ।

২০০১ সালে তিনি বাসাটি ছেড়ে দেওয়ার পর গত ২৫ বছর কোনো বিরোধী দলীয় নেতা সেখানে ওঠেননি।

বাড়িটির বরাদ্দ ও সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান, “সরকার বিরোধদলীয় নেতার জন্য এই বাড়িটি বরাদ্দ রেখেছে। আমাদের লোকজন সংস্কার কাজ করছে।

“সংস্কার শেষ হলে তখন আমরা বলব যে বাড়িটি বসবাসের উপযোগী হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা থাকলে আমরা বুঝিয়ে দেব।”

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ প্রতিবেদককে জানান, “বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ মিন্টো রোডের বাড়িটি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে এখানে উনি থাকবেন কী না সে সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে হবে।”