০৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

পবিত্র শবে মেরাজ আজ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:৩৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • /

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবে মেরাজ আজ (শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি)। ইসলাম ধর্মের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতটি ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে পালন করবেন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

শবে মেরাজ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের এক ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই ঘটনাতেই মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হয়।

আল্লাহর নির্দেশ নিয়ে এ রাতেই প্রিয় নবী (সা.) প্রতিদিন পাঁচবার সালাত আদায়ের বিধান মানবজাতির কাছে পৌঁছে দেন।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, নবুওয়াতের দশম বছরে বা ৬২১ খ্রিস্টাব্দে এক রাতে হজরত মুহাম্মদ (সা.) পবিত্র কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় গমন করেন। সেখানে তিনি নবীদের জামাতে ইমামতি করেন। কোরআনে বর্ণিত এই ঘটনাকে বলা হয় ‘ইসরা’।

এরপর তিনি ‘বুরাক’ নামক বিশেষ বাহনে আরোহণ করে ঊর্ধ্বাকাশে গমন করেন, যা ‘মেরাজ’ নামে পরিচিত। এই সফরে তার সঙ্গে ছিলেন ফেরেশতা হজরত জিবরাইল (আ.)। এ সময় তিনি সিদরাতুল মুনতাহা, বেহেশতের নদীসমূহ, ফেরেশতাদের ইবাদতখানা বায়তুল মা’মুরসহ বিভিন্ন নিদর্শন পরিদর্শন করেন এবং মহান আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্য লাভ করেন।

এই পবিত্র রাত উপলক্ষে মুসলমানরা মসজিদে-মসজিদে, নিজ নিজ ঘরে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, নফল নামাজ ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা কামনা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

পবিত্র শবে মেরাজ আজ

আপডেট: ০৪:৩৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবে মেরাজ আজ (শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি)। ইসলাম ধর্মের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতটি ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে পালন করবেন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

শবে মেরাজ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের এক ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই ঘটনাতেই মুসলমানদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হয়।

আল্লাহর নির্দেশ নিয়ে এ রাতেই প্রিয় নবী (সা.) প্রতিদিন পাঁচবার সালাত আদায়ের বিধান মানবজাতির কাছে পৌঁছে দেন।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, নবুওয়াতের দশম বছরে বা ৬২১ খ্রিস্টাব্দে এক রাতে হজরত মুহাম্মদ (সা.) পবিত্র কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় গমন করেন। সেখানে তিনি নবীদের জামাতে ইমামতি করেন। কোরআনে বর্ণিত এই ঘটনাকে বলা হয় ‘ইসরা’।

এরপর তিনি ‘বুরাক’ নামক বিশেষ বাহনে আরোহণ করে ঊর্ধ্বাকাশে গমন করেন, যা ‘মেরাজ’ নামে পরিচিত। এই সফরে তার সঙ্গে ছিলেন ফেরেশতা হজরত জিবরাইল (আ.)। এ সময় তিনি সিদরাতুল মুনতাহা, বেহেশতের নদীসমূহ, ফেরেশতাদের ইবাদতখানা বায়তুল মা’মুরসহ বিভিন্ন নিদর্শন পরিদর্শন করেন এবং মহান আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্য লাভ করেন।

এই পবিত্র রাত উপলক্ষে মুসলমানরা মসজিদে-মসজিদে, নিজ নিজ ঘরে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, নফল নামাজ ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা কামনা করেন।