০২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

চড়ক পূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন : খুলনা বিভাগীয় প্রেসক্লাব

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫৯:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • /

। বাবু বিশ্বজিৎ বসু।।
স্টাফ রিপোর্টার ও সাধারণ সম্পাদক, মাগুরা জেলা
খুলনা বিভাগীয় প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সমগ্র বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তবৃন্দকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার অন্যতম প্রাচীন ধর্মীয় উৎসব চড়ক পূজা উপলক্ষে।

চড়ক পূজা আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই উৎসব মানুষের মাঝে ভক্তি, ত্যাগ, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা বহন করে আসছে। বিশেষ করে গ্রামবাংলায় এই পূজা শুধু ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি একটি সামাজিক মিলনমেলা, যেখানে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ আনন্দ ও উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করে।

আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি, চড়ক পূজার মতো ঐতিহ্যবাহী উৎসব আমাদের সমাজে পারস্পরিক ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করে। এই ধরনের আয়োজন আমাদের নতুন প্রজন্মকে তাদের শিকড় ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করে এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ উপলক্ষে আয়োজিত সকল ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সফল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হোক—এই কামনা করি। পাশাপাশি সকল ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নিরাপদ ও আনন্দময় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
পরিশেষে, চড়ক পূজার এই পবিত্র উৎসব সকলের জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ—এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।
সবাইকে জানাই আন্তরিক স্বাগতম ও শুভেচ্ছা।

Please Share This Post in Your Social Media

চড়ক পূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন : খুলনা বিভাগীয় প্রেসক্লাব

আপডেট: ১০:৫৯:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

। বাবু বিশ্বজিৎ বসু।।
স্টাফ রিপোর্টার ও সাধারণ সম্পাদক, মাগুরা জেলা
খুলনা বিভাগীয় প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সমগ্র বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তবৃন্দকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার অন্যতম প্রাচীন ধর্মীয় উৎসব চড়ক পূজা উপলক্ষে।

চড়ক পূজা আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই উৎসব মানুষের মাঝে ভক্তি, ত্যাগ, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা বহন করে আসছে। বিশেষ করে গ্রামবাংলায় এই পূজা শুধু ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি একটি সামাজিক মিলনমেলা, যেখানে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ আনন্দ ও উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করে।

আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি, চড়ক পূজার মতো ঐতিহ্যবাহী উৎসব আমাদের সমাজে পারস্পরিক ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করে। এই ধরনের আয়োজন আমাদের নতুন প্রজন্মকে তাদের শিকড় ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করে এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ উপলক্ষে আয়োজিত সকল ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সফল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হোক—এই কামনা করি। পাশাপাশি সকল ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নিরাপদ ও আনন্দময় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
পরিশেষে, চড়ক পূজার এই পবিত্র উৎসব সকলের জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ—এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।
সবাইকে জানাই আন্তরিক স্বাগতম ও শুভেচ্ছা।