শার্শায় সন্ত্রাসী হামলায় বিএনপি’র ৬ কর্মী গুরুতর আহত, অজ্ঞাতসহ ৪ জনের নামে থানায় মামলা
- আপডেট: ০৭:২৯:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫
- / ১০০

নিজস্ব প্রতিবেদক: শার্শা উপজেলার শ্যামলাগাছি এলাকায় পেট্রোলপাম্পের সামনে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী হামলায় বিএনপির ছয়জন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী লাল্টু ও পিন্টু নামে দুই সহোদর এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
ঘটনার পর আহত আশিকুর রহমান বাদী হয়ে শার্শা থানায় লাল্টু, পিন্টু, তারেক ও হায়দার আলীসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে মামলা (নং- ৭, তারিখ ৩/১০/২৫) দায়ের করেছেন।
আহতরা হলেন—শার্শার কন্যাদহ গ্রামের ইকবাল হোসেন (১৮), শহিদুল ইসলাম (৪০), ইনামুল হোসেন (৩৫), কবির হোসেন (৩৫), শাহ আলম (৩৬) ও আশিকুর রহমান (২৫)। বর্তমানে সবাই নাভারণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, পেট্রোলপাম্প থেকে তেল নেওয়া নিয়ে ইকবাল হোসেনের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মহাসড়কের চৌধুরী অটোরাইস মিলের সামনে তাকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে আশিকুরসহ অন্যরা ঘটনাস্থলে গেলে অতর্কিত হামলার শিকার হন তারা।
এসময় সন্ত্রাসীরা লাঠি, রড, হকিস্টিক ও চাপাতি দিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। হামলায় রাস্তার উপর পড়ে যাওয়া আহতদের উপরেও চলতে থাকে বর্বর প্রহার। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আশিকুর রহমান অভিযোগ করেন, হামলার পর তিনি সন্ত্রাসী লাল্টু ও পিন্টু’র ভাই শার্শা উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালে তিনি আসছি বলে তিনি আরও লোক পাঠিয়ে দ্বিতীয় দফা হামলা চালান। এতে কবির ও শাহ আলম মারাত্মক আহত হন।
এ বিষয়ে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল আলিম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। ঘটনার পর থানায় একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে।






















