নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলনে সারাদেশে থেকে আগত নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এখন কানায় কানায় পূর্ণ।

শনিবার সকালে থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দোয়েল চত্বর, রমনা কালী মন্দির গেট ও টিএসসি এবং চারুকলার বিপরীত গেট দিয়ে মিছিল নিয়ে সম্মেলন স্থলে ঢুকতে দেখা গেছে নেতাকর্মীদের। বেলা বাড়ার সঙ্গে নেতাকর্মীদের উপস্থিততে সম্মেলন রুপ নেয় জনসমুদ্রে। সম্মেলন স্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কানায় কানায় পূর্ণ হয়।

আওয়ামী যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ,মৎস্যজীবি লীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, তাঁতি লীগ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সারাদেশের সাংগঠনিক জেলা থেকেও নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে।

বরিশাল থেকে আসা ডেলিগেট আসাদ মিয়া বলেন, আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে বরিশাল থেকে আসেছি। যাতে করে শেখ হাসিনাকে দেখতে পাই। আমরা চাই শেখ হাসিনা আজীবন দলের সভাপতি থাকুক।

শরীয়তপুর থেকে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এসেছেন বায়েজিদ, তিনি বলেন, উৎসাহ উদ্দীপনায় সম্মেলন হচ্ছে। আমরা শোনেছি সম্মেলন হবে সাদামাটা তারপর এতো লোক হবে কখনো ভাবতে পারিনি।

আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলন সাদামাটা হলেও সম্মেলন নিয়ে নেতাকর্মীদের আগ্রহ ও উৎসাহের কমতি নেই। বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে স্লোগান স্লোগান মুখরিত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।

এদিকে সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল সাড়ে ১০টায় উপস্থিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সারাদেশে দেশে কাউন্সিলর ও ডেলিগের পাশাপাশি ইতোমধ্যে উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সভাপতিমণ্ডলীর পরিষদের সদস্যরা। এছাড়া দলের সাধারণ সম্পাদকসহ দলের কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্য উপস্থিত রয়েছেন।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ স্থল ও সম্মেলন স্থলে নিরাপত্তায় দিতে কড়া পাহায় রয়েছে র‍্যাব পুলিশ, সেনাবাহিনীাহ অন্যান্য সংস্থা। এমনকি প্রবেশ স্থলে নিরাপত্তার জন্য তল্লাশি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

২০১৯ সালে সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০ ও ২১ ডিসেম্বর সেই সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের দ্বিতীয় বারের মত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন ওবায়দুল কাদের।