০৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

বাঘারপাড়ায় স্বপ্ন পুরনে, পিতাকে চড়ালেন হেলিকপ্টারে!

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৮১

সাঈদ ইবনে হানিফ ঃ দীর্ঘ বছর ধরে মনের ভিতর পুষে রাখা স্বপ্ন, নিজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারলে একদিন পিতাকে চড়াবো হেলিকপ্টারে। সেই স্বপ্ন স্বাধনে (২৩ সেপ্টেম্বর) পিতাকে হেলিকপ্টারে করে বাড়ী ফিরলেন ইরাক প্রবাসী বাঘারপাড়া উপজেলার জিয়ারুল ইসলাম।

জানা গেছে ইরাক প্রবাসী জিয়ারুল ইসলামের দীর্ঘ বছরের স্বপ্ন ছিল নিজে একদিন প্রতিষ্ঠিত হয়ে বাড়িতে যাবেন। তখন পিতাকে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে বাড়িতে ফিরে নিজের ইচ্ছা সাধন করবেন। তার সেই ইচ্ছা পূরনে বাস্তবে রুপ দিয়েছেন মহান আল্লাহ। কিন্ত অল্পের জন্য বেচেও গেলেন ইচ্ছা পূরনের আগ মূহুর্তে।

ইরাক প্রবাসি ছেলে জিয়ারুলকে ঢাকা বিমান বন্দরে আনতে সোমবার রাতে পরিবহনে করে যাচ্ছিলেন বাঘারপাড়ার জহুরপুর ইউনিয়নের উত্তর সলুয়া গ্রামের নুরুল ইসলাম। সাথে মেয়ে জামাই ও পোতা ছেলেসহ পরিবারের তিনজন। পথিমধ্যে রাত তিনটার দিকে ফরিদপুর ভাঙ্গার কাছাকাছি তাদের যাত্রীবাহি গাড়ী পাল্টি খেয়ে দূর্ঘটনায় আহত হন তিনজনসহ অনেকেই। এঘটনায় তারা মারাত্মক আহত না হলেও প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান বিমান বন্দরে।

এই ঘটনা প্রবাসী ছেলেকে বুঝতে না দিয়ে তার ইচ্ছা পূরন করতে হেলিকপ্টার করে বাড়িতে ফেরেন তারা সকলে।

ফেরার পথে বিষয়টি জানাজানি হলে সলুয়া স্কুল মাঠে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। একদিকে অনেক দিনপর তাদের ছেলেকে কাছে পাবার আনন্দ অন্য দিকে অল্পেরজন্য রক্ষা পাওয়ার অনুভূতি। এ যেন হরিষে বিষাদ! এ সময় অনেকেই বলেন, রাখে আল্লাহ মারে কে! অনেকেই আবার বলেন পিতা-পুত্রের ভালোবাসার প্রতিদান স্বরুপ আল্লাহ তাদেরকে রক্ষা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

বাঘারপাড়ায় স্বপ্ন পুরনে, পিতাকে চড়ালেন হেলিকপ্টারে!

আপডেট: ০৮:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাঈদ ইবনে হানিফ ঃ দীর্ঘ বছর ধরে মনের ভিতর পুষে রাখা স্বপ্ন, নিজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারলে একদিন পিতাকে চড়াবো হেলিকপ্টারে। সেই স্বপ্ন স্বাধনে (২৩ সেপ্টেম্বর) পিতাকে হেলিকপ্টারে করে বাড়ী ফিরলেন ইরাক প্রবাসী বাঘারপাড়া উপজেলার জিয়ারুল ইসলাম।

জানা গেছে ইরাক প্রবাসী জিয়ারুল ইসলামের দীর্ঘ বছরের স্বপ্ন ছিল নিজে একদিন প্রতিষ্ঠিত হয়ে বাড়িতে যাবেন। তখন পিতাকে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে বাড়িতে ফিরে নিজের ইচ্ছা সাধন করবেন। তার সেই ইচ্ছা পূরনে বাস্তবে রুপ দিয়েছেন মহান আল্লাহ। কিন্ত অল্পের জন্য বেচেও গেলেন ইচ্ছা পূরনের আগ মূহুর্তে।

ইরাক প্রবাসি ছেলে জিয়ারুলকে ঢাকা বিমান বন্দরে আনতে সোমবার রাতে পরিবহনে করে যাচ্ছিলেন বাঘারপাড়ার জহুরপুর ইউনিয়নের উত্তর সলুয়া গ্রামের নুরুল ইসলাম। সাথে মেয়ে জামাই ও পোতা ছেলেসহ পরিবারের তিনজন। পথিমধ্যে রাত তিনটার দিকে ফরিদপুর ভাঙ্গার কাছাকাছি তাদের যাত্রীবাহি গাড়ী পাল্টি খেয়ে দূর্ঘটনায় আহত হন তিনজনসহ অনেকেই। এঘটনায় তারা মারাত্মক আহত না হলেও প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান বিমান বন্দরে।

এই ঘটনা প্রবাসী ছেলেকে বুঝতে না দিয়ে তার ইচ্ছা পূরন করতে হেলিকপ্টার করে বাড়িতে ফেরেন তারা সকলে।

ফেরার পথে বিষয়টি জানাজানি হলে সলুয়া স্কুল মাঠে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। একদিকে অনেক দিনপর তাদের ছেলেকে কাছে পাবার আনন্দ অন্য দিকে অল্পেরজন্য রক্ষা পাওয়ার অনুভূতি। এ যেন হরিষে বিষাদ! এ সময় অনেকেই বলেন, রাখে আল্লাহ মারে কে! অনেকেই আবার বলেন পিতা-পুত্রের ভালোবাসার প্রতিদান স্বরুপ আল্লাহ তাদেরকে রক্ষা করেছেন।