০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্ত্রীকে হাসুয়া দিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:১৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • /

চাপাইনবাবগঞ্জ প্রতিবেদকঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ধারালো হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর ফ্যান ঝোলানোর হুকের সঙ্গে ফাঁস নিয়ে আত্ম;হত্যা করেছেন এক বৃদ্ধ।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের রসিকনগর বাবুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারী মনোয়ারা বেগম (৬০)। তাঁর স্বামী মফিজুল হক (৭৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মফিজুল হক ও তাঁর স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জেরে শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মফিজুল হক ধারালো হাসুয়া দিয়ে স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন। পরে তিনি ঘরের ফ্যান ঝোলানোর হুকের সঙ্গে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন।

মফিজুল হকের ছেলের স্ত্রী শাপলা বেগম দাওয়াত খেয়ে বাড়িতে ফিরে ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে জানালা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে তাঁর শাশুড়ি মনোয়ারা বেগমকে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। এ সময় মফিজুল হককে ফ্যান ঝোলানোর হুকের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং মনোয়ারা বেগমকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে

Please Share This Post in Your Social Media

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্ত্রীকে হাসুয়া দিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা

আপডেট: ১০:১৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাপাইনবাবগঞ্জ প্রতিবেদকঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ধারালো হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর ফ্যান ঝোলানোর হুকের সঙ্গে ফাঁস নিয়ে আত্ম;হত্যা করেছেন এক বৃদ্ধ।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের রসিকনগর বাবুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারী মনোয়ারা বেগম (৬০)। তাঁর স্বামী মফিজুল হক (৭৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মফিজুল হক ও তাঁর স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জেরে শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মফিজুল হক ধারালো হাসুয়া দিয়ে স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন। পরে তিনি ঘরের ফ্যান ঝোলানোর হুকের সঙ্গে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন।

মফিজুল হকের ছেলের স্ত্রী শাপলা বেগম দাওয়াত খেয়ে বাড়িতে ফিরে ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে জানালা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে তাঁর শাশুড়ি মনোয়ারা বেগমকে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। এ সময় মফিজুল হককে ফ্যান ঝোলানোর হুকের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং মনোয়ারা বেগমকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে