বাগআঁচড়ায় ‘জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’ অনুষ্ঠিত
- আপডেট: ০২:৩২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
- / ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং জুলাই বিপ্লবের বীরদের স্মরণে যশোরের শার্শার বাগআঁচড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ।
শনিবার (৮ আগস্ট-২০২০৬) বিকেল সাড়ে ৪টায় বাগআঁচড়া ইউনাইটেড হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাগআঁচড়া ৮ নম্বর ওয়ার্ড টেংরা ফুটবল একাদশকে ১-০ গোলে হারিয়েছে সোনাতনকাটি ও কলোনী ফুটবল একাদশ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাগআঁচড়া ইউনিয়ন যুব বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে। প্রথমার্ধে উভয় দলই গোলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায়। স্কোরলাইন ছিল ০-০।
ম্যাচের প্রথমার্ধের ১২ মিনিটে ফাউলের কারণে সোনাতনকাটি ও কলোনী একাদশের এক খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। দ্বিতীয়ার্ধেও ফাউলের ঘটনায় একই দলের আরও এক খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখেন।
বিরতির পর ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিয়ে সোনাতনকাটি ও কলোনী ফুটবল একাদশ একটি গোল আদায় করে নেয়। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সোনাতনকাটি ও কলোনী একাদশ।
উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটি উপভোগ করতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন বিপুলসংখ্যক স্থানীয় ক্রীড়ামোদী দর্শক। তারা করতালি দিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেন। খেলা শেষে বিগত ম্যাচগুলোর ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ স্মারক প্রদান এবং বিজয়ী ও বিজিত দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর-১ (শার্শা) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শার্শা উপজেলা আমীর মাওলানা ফারুক হাসান, বাগআঁচড়া ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক খান হাসান আরিফ লিটন এবং এএসআই ফরাদ হোসেন। টুর্নামেন্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাস্টার মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ফিরোজ আল মাহমুদ ও বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি তবিবার রহমান।
বাগআঁচড়া ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা হাদিউজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন আমীর মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালীর যৌথ পরিচালনায় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালন করেন বশির আহমেদ। সহকারী রেফারি ছিলেন মিজানুর ও হাবিবুর রহমান। ধারাভাষ্য দেন রুহুল আমিন, জাহাঙ্গীর আলম ও মুবাশ্বির হোসেন হিমেল।
আয়োজকরা জানান, ‘ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল’—এই চেতনাকে সামনে রেখে যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখা এবং তাদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও সুশৃঙ্খল বিনোদনের সুযোগ তৈরি করতেই এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনেরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।





















