০১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদ ইকবাল বহিষ্কার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৪৮

যশোর প্রতিনিধি : যশোরের মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শহিদ ইকবালকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্বাচনমুখী কোনো কর্মকাণ্ডে না জড়ানোর কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে সেই নির্দেশনা অমান্য করে মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদ ইকবাল নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী এ কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বহিষ্কার আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থানীয় একাধিক নেতা জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার কোনো সুযোগ নেই। দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
এদিকে শহিদ ইকবালের বহিষ্কারের ঘটনায় মনিরামপুর উপজেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট শহিদ ইকবাল বলেছেন, ” আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয় আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে শুনেছি। এখনো কোনো চিঠিপত্র হাতে পাইনি।”

প্রসঙ্গত, যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসন থেকে বিএনপি জোটের প্রার্থী নবাগত রশীদ বিন ওয়াক্কাসকে মনোনয়ন দেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদ ইকবাল বহিষ্কার

আপডেট: ১১:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

যশোর প্রতিনিধি : যশোরের মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শহিদ ইকবালকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্বাচনমুখী কোনো কর্মকাণ্ডে না জড়ানোর কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে সেই নির্দেশনা অমান্য করে মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদ ইকবাল নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী এ কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বহিষ্কার আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থানীয় একাধিক নেতা জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার কোনো সুযোগ নেই। দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
এদিকে শহিদ ইকবালের বহিষ্কারের ঘটনায় মনিরামপুর উপজেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট শহিদ ইকবাল বলেছেন, ” আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয় আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে শুনেছি। এখনো কোনো চিঠিপত্র হাতে পাইনি।”

প্রসঙ্গত, যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসন থেকে বিএনপি জোটের প্রার্থী নবাগত রশীদ বিন ওয়াক্কাসকে মনোনয়ন দেয়।