০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

শার্শায় অপরাধ দমনে ওসি রবিউলের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৫৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৬৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: শার্শা থানায় চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নারী-শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ঘোষণা দিয়েছেন শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে. এম রবিউল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট ২০২৫) দুপুরে নাভারণ বাজার পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “অপরাধীদের কোনোরকম ছাড় দেওয়া হবে না। চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস—যেই করুক না কেন, আইনের আওতায় আনা হবে। যদি থানার কেউ এতে জড়িত থাকে, তাকেও আইনের মুখোমুখি হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “মব ভায়োলেন্স বা নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। থানায় এসে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে আমরা সর্বোচ্চ নজর রাখছি।”

ওসি রবিউল ইসলাম এদিন বাজারে সাধারণ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আহ্বান জানান। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, “থানা সর্বদা আপনাদের পাশে আছে। অপরাধের বিরুদ্ধে একসাথে কাজ করলে শার্শাকে আমরা একটি মডেল এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।”

এই ঘোষণায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অপরদিকে, আতঙ্কে পড়েছে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী চক্র।

স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন জানান, “সম্প্রতি এলাকায় চুরি ছিনতাই ও চাঁদাবাজি বেড়েছিল। পুলিশের এই উদ্যোগে আমরা সাহস পাচ্ছি।”
অপর এক ব্যবসায়ী বলেন, “ওসি স্যারের মতো সক্রিয় পুলিশ অফিসার থাকলে অপরাধীরা আর পার পাবে না।”

এ বিষয়ে শার্শার সচেতন মহল বলছে, প্রশাসনের কঠোর অবস্থান এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে বলে তারা আশাবাদী।

Please Share This Post in Your Social Media

শার্শায় অপরাধ দমনে ওসি রবিউলের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা

আপডেট: ০৫:৫৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: শার্শা থানায় চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নারী-শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ঘোষণা দিয়েছেন শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে. এম রবিউল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট ২০২৫) দুপুরে নাভারণ বাজার পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “অপরাধীদের কোনোরকম ছাড় দেওয়া হবে না। চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস—যেই করুক না কেন, আইনের আওতায় আনা হবে। যদি থানার কেউ এতে জড়িত থাকে, তাকেও আইনের মুখোমুখি হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “মব ভায়োলেন্স বা নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। থানায় এসে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে আমরা সর্বোচ্চ নজর রাখছি।”

ওসি রবিউল ইসলাম এদিন বাজারে সাধারণ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আহ্বান জানান। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, “থানা সর্বদা আপনাদের পাশে আছে। অপরাধের বিরুদ্ধে একসাথে কাজ করলে শার্শাকে আমরা একটি মডেল এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।”

এই ঘোষণায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অপরদিকে, আতঙ্কে পড়েছে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী চক্র।

স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন জানান, “সম্প্রতি এলাকায় চুরি ছিনতাই ও চাঁদাবাজি বেড়েছিল। পুলিশের এই উদ্যোগে আমরা সাহস পাচ্ছি।”
অপর এক ব্যবসায়ী বলেন, “ওসি স্যারের মতো সক্রিয় পুলিশ অফিসার থাকলে অপরাধীরা আর পার পাবে না।”

এ বিষয়ে শার্শার সচেতন মহল বলছে, প্রশাসনের কঠোর অবস্থান এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে বলে তারা আশাবাদী।