০২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

শার্শায় গৃহবধূর সাহসিকতায় ধর্ষণচেষ্টা ব্যর্থ, পুরুষাঙ্গ কর্তন—অবশেষে আসামি আটক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৪১:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১০০

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শা থানা পাড়ের কায়বা গ্রামে গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় তার প্রতিবেশী। তবে নির্যাতনের শিকার না হয়ে সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ করে ওই গৃহবধূ আসামির পুরুষাঙ্গ কর্তন করেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা আসামিকে অবশেষে সোমবার (১৮ আগস্ট ২০২৫) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগীর অভিযোগে জানা যায়, আসামি মো. মুবায়দুল রহমান (৩৫), যশোরের শার্শা থানার পাড়ের কায়বা গ্রামের (বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন) মো. আতিয়ার রহমানের ছেলে।

আসামি দীর্ঘদিন ধরে তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তিনি রাজি না হওয়ায় গত ৯ আগস্ট গভীর রাতে ঘরের চালায় ঢিল মেরে বাইরে আসতে বাধ্য করে। এ সময় ওৎ পেতে থাকা আসামি তাকে জাপটে ধরে মুখ চেপে মাটিতে ফেলে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

জীবন রক্ষার তাগিদে গৃহবধূ হাতে থাকা ব্লেড দিয়ে আসামির পুরুষাঙ্গ কর্তন করেন। তার চিৎকারে স্বামী, সন্তান ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে আসামি পালিয়ে যায়।

মারাত্মক জখম অবস্থায় মফিজুল চন্দনপুর গ্রামে এক পল্লী চিকিৎসকের কাছে যান এবং পুরুষাঙ্গে আটটি সেলাই দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর গৃহবধূ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। অবশেষে সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে. এম রবিউল ইসলাম বলেন, “নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখি। এই আসামিকে গ্রেপ্তার আমাদের অঙ্গীকারেরই অংশ।”

Please Share This Post in Your Social Media

শার্শায় গৃহবধূর সাহসিকতায় ধর্ষণচেষ্টা ব্যর্থ, পুরুষাঙ্গ কর্তন—অবশেষে আসামি আটক

আপডেট: ০৯:৪১:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শা থানা পাড়ের কায়বা গ্রামে গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় তার প্রতিবেশী। তবে নির্যাতনের শিকার না হয়ে সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ করে ওই গৃহবধূ আসামির পুরুষাঙ্গ কর্তন করেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা আসামিকে অবশেষে সোমবার (১৮ আগস্ট ২০২৫) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগীর অভিযোগে জানা যায়, আসামি মো. মুবায়দুল রহমান (৩৫), যশোরের শার্শা থানার পাড়ের কায়বা গ্রামের (বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন) মো. আতিয়ার রহমানের ছেলে।

আসামি দীর্ঘদিন ধরে তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তিনি রাজি না হওয়ায় গত ৯ আগস্ট গভীর রাতে ঘরের চালায় ঢিল মেরে বাইরে আসতে বাধ্য করে। এ সময় ওৎ পেতে থাকা আসামি তাকে জাপটে ধরে মুখ চেপে মাটিতে ফেলে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

জীবন রক্ষার তাগিদে গৃহবধূ হাতে থাকা ব্লেড দিয়ে আসামির পুরুষাঙ্গ কর্তন করেন। তার চিৎকারে স্বামী, সন্তান ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে আসামি পালিয়ে যায়।

মারাত্মক জখম অবস্থায় মফিজুল চন্দনপুর গ্রামে এক পল্লী চিকিৎসকের কাছে যান এবং পুরুষাঙ্গে আটটি সেলাই দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর গৃহবধূ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। অবশেষে সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে. এম রবিউল ইসলাম বলেন, “নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখি। এই আসামিকে গ্রেপ্তার আমাদের অঙ্গীকারেরই অংশ।”