০১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন আটক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
  • / ১৩৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (২৭ মে) সকালে কুষ্টিয়া শহরের কালীশংকরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সহযোগীসহ তাকে আটক করা হয়।

ঢাকায় সেনাবাহিনীর একটি দায়িত্বশীল সূত্র ইউএনবিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে বলে জানা গেছে।

কথিত “সেভেন স্টার” বাহিনীর প্রধান ছিলেন সুব্রত বাইন। পুলিশের খাতায় তার পুরো নাম ত্রিমাতি সুব্রত বাইন।

নব্বইয়ের দশকে ঢাকার অপরাধজগতের আলোচিত নাম ছিল সুব্রত বাইন। আধিপত্য বিস্তার করে দরপত্র নিয়ন্ত্রণ ও বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজিতে তার নাম আসা ছিল তখনকার নিয়মিত ঘটনা। এসব কাজ করতে গিয়ে অসংখ্য খুন-জখমের ঘটনাও ঘটেছে। বহুদিন ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড কাঁপিয়ে ভারতের কারাগারে কিছুদিন বন্দি ছিলেন তিনি। সুব্রত বাইনের আদি নিবাস বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার জোবারপাড় গ্রামে।

নব্বইয়ের দশকে ঢাকার মগবাজারের বিশাল সেন্টার ঘিরেই উত্থান হয় সুব্রত বাইনের। তিনি এই বিপণিবিতানের কাছে চাংপাই নামে একটি রেস্টুরেন্টের কর্মচারী ছিলেন। সেখান থেকে ধীরে ধীরে অপরাধজগতের সঙ্গে জড়িয়ে যান। পরে বিশাল সেন্টারই হয়ে ওঠে তার কর্মকাণ্ড পরিচালনার কেন্দ্র।

২০০১ সালের ২৫ ডিসেম্বর ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর নামের তালিকা ঘোষণা করেছিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত সরকার। এ তালিকায় অন্যতম ছিল সুব্রত বাইন। তার নামে এখনো ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি রয়েছে। সেখানে তার বয়স দেখানো হয়েছে ৫৫ বছর। তাকে ধরিয়ে দিতে তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন আটক

আপডেট: ০৮:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (২৭ মে) সকালে কুষ্টিয়া শহরের কালীশংকরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সহযোগীসহ তাকে আটক করা হয়।

ঢাকায় সেনাবাহিনীর একটি দায়িত্বশীল সূত্র ইউএনবিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে বলে জানা গেছে।

কথিত “সেভেন স্টার” বাহিনীর প্রধান ছিলেন সুব্রত বাইন। পুলিশের খাতায় তার পুরো নাম ত্রিমাতি সুব্রত বাইন।

নব্বইয়ের দশকে ঢাকার অপরাধজগতের আলোচিত নাম ছিল সুব্রত বাইন। আধিপত্য বিস্তার করে দরপত্র নিয়ন্ত্রণ ও বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজিতে তার নাম আসা ছিল তখনকার নিয়মিত ঘটনা। এসব কাজ করতে গিয়ে অসংখ্য খুন-জখমের ঘটনাও ঘটেছে। বহুদিন ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড কাঁপিয়ে ভারতের কারাগারে কিছুদিন বন্দি ছিলেন তিনি। সুব্রত বাইনের আদি নিবাস বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার জোবারপাড় গ্রামে।

নব্বইয়ের দশকে ঢাকার মগবাজারের বিশাল সেন্টার ঘিরেই উত্থান হয় সুব্রত বাইনের। তিনি এই বিপণিবিতানের কাছে চাংপাই নামে একটি রেস্টুরেন্টের কর্মচারী ছিলেন। সেখান থেকে ধীরে ধীরে অপরাধজগতের সঙ্গে জড়িয়ে যান। পরে বিশাল সেন্টারই হয়ে ওঠে তার কর্মকাণ্ড পরিচালনার কেন্দ্র।

২০০১ সালের ২৫ ডিসেম্বর ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর নামের তালিকা ঘোষণা করেছিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত সরকার। এ তালিকায় অন্যতম ছিল সুব্রত বাইন। তার নামে এখনো ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি রয়েছে। সেখানে তার বয়স দেখানো হয়েছে ৫৫ বছর। তাকে ধরিয়ে দিতে তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।