১২:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫

ভোটের প্রস্তুতি নিতে নেতাকর্মীদের প্রতি বিএনপির আহ্বান

নিউজ ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্ধিত সভায় দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি তুলেছেন বিএনপি’র তৃণমূল নেতাকর্মীরা। সভায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আসন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

সাত বছর পর গতকাল জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে এই সভা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য দেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ভার্চ্যুয়ালি সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সকালে শুরু হওয়া সভা মধ্যাহ্ন বিরতি দিয়ে রাত পর্যন্ত চলে। সমাপনী বক্তব্যে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী আয়োজিত বর্ধিত সভা থেকে এই নির্দেশনা দিয়েছে দলটি।

বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্যরা, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টারা, জাতীয় নির্বাহী কমিটি সদস্যরা, মহানগর-জেলা-থানা-উপজেলা এবং পৌরসভা ইউনিটের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবরা। এছাড়াও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী এবং মনোনয়ন প্রত্যাশীরা উপস্থিত ছিলেন।

বর্ধিত সভার শুরুতে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনে এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর শোক প্রস্তাব পাঠ করেন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বর্ধিত সভার মূল মঞ্চে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান ও হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। সভা সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও কোষাধ্যক্ষ রসিদুজ্জামান মিল্লাত। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার পতনের পর দেশের মানুষ আশা করেছিল অতি দ্রুত তারা ভোট দিতে পারবেন, তাদের কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র ফিরে পাবেন। কিন্তু এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো উদ্যোগ আমরা দেখতে পারছি না। আমরা ফ্যাসিবাদ তাড়িয়েছি গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার জন্য। কিন্তু সেটা এখনও নিশ্চিত হয়নি। অথচ এ জন্য আমরা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি।”

মহাসচিবের বক্তব্যের পর সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি নেতাকর্মীদের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “দেশে গণতন্ত্র থাকলে বিএনপি থাকে। গণতন্ত্র বিপন্ন হলে বিএনপির স্বার্থও বিপন্ন হয়। মাফিয়া প্রধানের পলায়নের পর দেশে বর্তমানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। জাতীয় নির্বাচনের সময়ও ঘনিয়ে আসছে। আপনারা মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিন।”

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি দেশবাসীর উদ্দেশে একটি বার্তা দিতে চাই, বিএনপি শুধু ভোটের পুনরুদ্ধারই নয়, আপনার ভোটের প্রয়োগের অধিকার নিশ্চিত করতে চায়। আপনাদের সমর্থন পেলে বিএনপি এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যে সরকার আপনার কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে। আমি জনগণের সমর্থন চাই, সবার সহযোগিতা চাই।”

তারেক রহমানের বক্তব্যের পর যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বর্ধিত সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যের শুরুতে ছয় বছর পর “ফ্যাসিস্ট মুক্ত” বাংলাদেশে সবাই একত্রিত হতে পারায় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন তিনি। দীর্ঘ সংগ্রামে শহিদ এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, “দেশ আজ এক সংকটময় সময় অতিক্রম করছে। আপনাদের এবং ছাত্রদের সমন্বিত আন্দোলনের ফলে ফ্যাসিস্ট শাসকেরা বিদায় নিয়েছে। একটা অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা রাষ্ট্র মেরামতের ন্যূনতম সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা।”

তিনি বলেন, “এখনও ফ্যাসিস্টদের দোসররা ও বাংলাদেশের শত্রুরা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্জনকে নস্যাৎ করার গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। ইস্পাত-কঠিন ঐক্যের মাধ্যমে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিতে হবে। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে।”

শীর্ষ নেতাদের স্বাগত বক্তব্যের পর দেওয়া হয় মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি। এরপর শুরু হয় রুদ্ধদ্বার অধিবেশন। এই অধিবেশন তৃণমূল নেতারা সাংগঠনিক এবং বর্তমান পরিস্থিতির ওপর বক্তব্য রাখেন। অধিবেশনটি রাত পর্যন্ত চলে। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্যের পর তারেক রহমান তাদের উদ্দেশে নীতিনির্ধারণীয় বক্তব্য দেন।

মির্জা ফখরুল: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে পারছে নামির্জা ফখরুল: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে পারছে না
বর্ধিত সভায় যোগ দিতে ঢাকায় আসা যশোর জেলার শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন ঢাকা গ্রামের সংবাদকে বলেন, “আমরা আমাদের কথা দলের নেতাদের কাছে তুলে ধরেছি। তারা আমাদের বক্তব্য শুনেছেন। তারপর চলমান পরিস্থিতিতে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। তারা আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন।”

বর্ধিত সভা থেকে নেতাকর্মীদের কি বার্তা দেওয়া হয়েছে- এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, “বর্ধিত সভায় সারাদেশ থেকে নেতাকর্মীদের ডাকা হয়েছিল। দলের নীতিনির্ধারকরা তাদের বক্তব্য শুনেছেন। আগামী নির্বাচনের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সবাইকে প্রস্তুত হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৭:১৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
৩৯

ভোটের প্রস্তুতি নিতে নেতাকর্মীদের প্রতি বিএনপির আহ্বান

আপডেট: ০৭:১৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্ধিত সভায় দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি তুলেছেন বিএনপি’র তৃণমূল নেতাকর্মীরা। সভায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আসন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

সাত বছর পর গতকাল জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে এই সভা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য দেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ভার্চ্যুয়ালি সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সকালে শুরু হওয়া সভা মধ্যাহ্ন বিরতি দিয়ে রাত পর্যন্ত চলে। সমাপনী বক্তব্যে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী আয়োজিত বর্ধিত সভা থেকে এই নির্দেশনা দিয়েছে দলটি।

বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্যরা, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টারা, জাতীয় নির্বাহী কমিটি সদস্যরা, মহানগর-জেলা-থানা-উপজেলা এবং পৌরসভা ইউনিটের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবরা। এছাড়াও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী এবং মনোনয়ন প্রত্যাশীরা উপস্থিত ছিলেন।

বর্ধিত সভার শুরুতে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনে এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর শোক প্রস্তাব পাঠ করেন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বর্ধিত সভার মূল মঞ্চে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান ও হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। সভা সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও কোষাধ্যক্ষ রসিদুজ্জামান মিল্লাত। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার পতনের পর দেশের মানুষ আশা করেছিল অতি দ্রুত তারা ভোট দিতে পারবেন, তাদের কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র ফিরে পাবেন। কিন্তু এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো উদ্যোগ আমরা দেখতে পারছি না। আমরা ফ্যাসিবাদ তাড়িয়েছি গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার জন্য। কিন্তু সেটা এখনও নিশ্চিত হয়নি। অথচ এ জন্য আমরা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি।”

মহাসচিবের বক্তব্যের পর সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি নেতাকর্মীদের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “দেশে গণতন্ত্র থাকলে বিএনপি থাকে। গণতন্ত্র বিপন্ন হলে বিএনপির স্বার্থও বিপন্ন হয়। মাফিয়া প্রধানের পলায়নের পর দেশে বর্তমানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। জাতীয় নির্বাচনের সময়ও ঘনিয়ে আসছে। আপনারা মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিন।”

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি দেশবাসীর উদ্দেশে একটি বার্তা দিতে চাই, বিএনপি শুধু ভোটের পুনরুদ্ধারই নয়, আপনার ভোটের প্রয়োগের অধিকার নিশ্চিত করতে চায়। আপনাদের সমর্থন পেলে বিএনপি এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যে সরকার আপনার কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে। আমি জনগণের সমর্থন চাই, সবার সহযোগিতা চাই।”

তারেক রহমানের বক্তব্যের পর যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বর্ধিত সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যের শুরুতে ছয় বছর পর “ফ্যাসিস্ট মুক্ত” বাংলাদেশে সবাই একত্রিত হতে পারায় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন তিনি। দীর্ঘ সংগ্রামে শহিদ এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, “দেশ আজ এক সংকটময় সময় অতিক্রম করছে। আপনাদের এবং ছাত্রদের সমন্বিত আন্দোলনের ফলে ফ্যাসিস্ট শাসকেরা বিদায় নিয়েছে। একটা অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা রাষ্ট্র মেরামতের ন্যূনতম সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা।”

তিনি বলেন, “এখনও ফ্যাসিস্টদের দোসররা ও বাংলাদেশের শত্রুরা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্জনকে নস্যাৎ করার গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। ইস্পাত-কঠিন ঐক্যের মাধ্যমে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিতে হবে। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে।”

শীর্ষ নেতাদের স্বাগত বক্তব্যের পর দেওয়া হয় মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি। এরপর শুরু হয় রুদ্ধদ্বার অধিবেশন। এই অধিবেশন তৃণমূল নেতারা সাংগঠনিক এবং বর্তমান পরিস্থিতির ওপর বক্তব্য রাখেন। অধিবেশনটি রাত পর্যন্ত চলে। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্যের পর তারেক রহমান তাদের উদ্দেশে নীতিনির্ধারণীয় বক্তব্য দেন।

মির্জা ফখরুল: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে পারছে নামির্জা ফখরুল: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে পারছে না
বর্ধিত সভায় যোগ দিতে ঢাকায় আসা যশোর জেলার শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন ঢাকা গ্রামের সংবাদকে বলেন, “আমরা আমাদের কথা দলের নেতাদের কাছে তুলে ধরেছি। তারা আমাদের বক্তব্য শুনেছেন। তারপর চলমান পরিস্থিতিতে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। তারা আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন।”

বর্ধিত সভা থেকে নেতাকর্মীদের কি বার্তা দেওয়া হয়েছে- এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, “বর্ধিত সভায় সারাদেশ থেকে নেতাকর্মীদের ডাকা হয়েছিল। দলের নীতিনির্ধারকরা তাদের বক্তব্য শুনেছেন। আগামী নির্বাচনের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সবাইকে প্রস্তুত হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”