০৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পহর লাইব্রেরির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: দীঘিনালায় গুণীজন সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • / ২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবার পেল ভিন্নমাত্রার, বইপড়ার আলো ছড়িয়ে সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে এক ব্যতিক্রমী আয়োজন।

“এসো সবাই বই পড়ি, আলোকিত হয়ে আলোকিত সমাজ গড়ি” এই অনুপ্রেরণামূলক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পহর লাইব্রেরির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে গুণীজন সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান, যা ইতোমধ্যেই স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলার জামতলী রাজেন্দ্র কার্বারি পাড়ায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বইপ্রেমী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের সচেতন নাগরিকদের উপস্থিতিতে তৈরি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল জ্ঞানচর্চার আহ্বান, মেধাবীদের স্বীকৃতি এবং আলোকিত সমাজ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার।

পহর লাইব্রেরির সভাপতি খনেশ্বর ত্রিপুরা রিচার্ডের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ। তিনি বলেন, “একটি জাতির প্রকৃত উন্নয়ন নির্ভর করে জ্ঞান ও শিক্ষার ওপর। বই পড়ার অভ্যাসই পারে একটি প্রজন্মকে আলোকিত করে তুলতে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুজেন্দ্র-মল্লিকা মডার্ণ কলেজের অধ্যক্ষ সাধন ত্রিপুরা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর কার্যনির্বাহী সদস্য হেমা চাকমা, সমাজকর্মী চামেলী ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা যুব ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিপন ত্রিপুরা এবং নয় মাইল ত্রিপুরা পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তপু ত্রিপুরা।
অনুষ্ঠানে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায় এবং বইপড়ার প্রতি আগ্রহ আরও বেড়ে ওঠে।

স্থানীয়দের মতে, পাহাড়ি জনপদে এমন উদ্যোগ শুধু একটি অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি সচেতনতা আন্দোলন,যা তরুণ প্রজন্মকে বইয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Please Share This Post in Your Social Media

পহর লাইব্রেরির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: দীঘিনালায় গুণীজন সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

আপডেট: ০৪:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবার পেল ভিন্নমাত্রার, বইপড়ার আলো ছড়িয়ে সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে এক ব্যতিক্রমী আয়োজন।

“এসো সবাই বই পড়ি, আলোকিত হয়ে আলোকিত সমাজ গড়ি” এই অনুপ্রেরণামূলক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পহর লাইব্রেরির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে গুণীজন সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান, যা ইতোমধ্যেই স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলার জামতলী রাজেন্দ্র কার্বারি পাড়ায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বইপ্রেমী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের সচেতন নাগরিকদের উপস্থিতিতে তৈরি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল জ্ঞানচর্চার আহ্বান, মেধাবীদের স্বীকৃতি এবং আলোকিত সমাজ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার।

পহর লাইব্রেরির সভাপতি খনেশ্বর ত্রিপুরা রিচার্ডের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ। তিনি বলেন, “একটি জাতির প্রকৃত উন্নয়ন নির্ভর করে জ্ঞান ও শিক্ষার ওপর। বই পড়ার অভ্যাসই পারে একটি প্রজন্মকে আলোকিত করে তুলতে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুজেন্দ্র-মল্লিকা মডার্ণ কলেজের অধ্যক্ষ সাধন ত্রিপুরা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর কার্যনির্বাহী সদস্য হেমা চাকমা, সমাজকর্মী চামেলী ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা যুব ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিপন ত্রিপুরা এবং নয় মাইল ত্রিপুরা পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তপু ত্রিপুরা।
অনুষ্ঠানে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায় এবং বইপড়ার প্রতি আগ্রহ আরও বেড়ে ওঠে।

স্থানীয়দের মতে, পাহাড়ি জনপদে এমন উদ্যোগ শুধু একটি অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি সচেতনতা আন্দোলন,যা তরুণ প্রজন্মকে বইয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।