০৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

যশোরে ১৯ ভরি স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবলসহ চারজন গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:২৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৫৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সদরের রাজারহাটে পুলিশ পরিচয়ে এক জুয়েলারি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৯ ভরি স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় এক কনস্টেবলসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যশোর। গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫) দুপুরে যশোরের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম লস্কর সোহেল রানার আদালতে তাদের তোলা হলে কনস্টেবল রায়হানুল হক ও মাহিন রহমান শাওন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন বলে নিশ্চিত করেছেন যশোর ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) অলোক কুমার দে।

এর আগে সোমবার রাতভর সাতক্ষীরার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার কনস্টেবল রায়হানুল হক সাতক্ষীরার দেবহাটা থানায় কর্মরত ছিলেন। তিনি কুষ্টিয়ার মীরপুর উপজেলার আবুরী গ্রামের মল্লিকপাড়ার বাসিন্দা।
অন্য গ্রেপ্তাররা হলেন– সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দক্ষিণ কাঠিয়ার গৌরাঙ্গ সরকার, ইটাগাছা ঘোষপাড়ার বিকাশ মজুমদার বাবু এবং উত্তর পলাশপোল এলাকার মাহিন রহমান শাওন।

এসআই অলোক জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাজারহাটে জুয়েলারি ব্যবসায়ী সুধীর কুমার দাসকে থামিয়ে পুলিশ পরিচয়ে তার কাছ থেকে ১৯ ভরি সোনার গহনা লুটে নেওয়া হয়। পরে ২০ সেপ্টেম্বর এ ঘটনার সূত্র ধরে ঢাকা ও যশোর থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের নাম জানায়।

তাদের দেওয়া তথ্যে সোমবার রাতে সাতক্ষীরায় একযোগে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির এসআই অলোক কুমার দে জানান, এই চক্রের সঙ্গে পুলিশের আরও একজন সদস্য জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তাকে ধরতে অভিযান চলছে।

তিনি আরও বলেন, “গ্রেপ্তার হওয়া বিকাশ মজুমদার একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী। তার মাধ্যমেই চক্রের অন্য সদস্যরা জানতে পারে যে, সুধীর কুমার দাস যশোর থেকে স্বর্ণ নিয়ে ফিরছেন। পরে পথেই তাকে আটকে লুট করা হয়।”

ডিবির তথ্যমতে, এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ঢাকা থেকে উজ্জ্বল হোসেন ও নিশান হোসেন এবং যশোর থেকে মুসাব্বির হোসেন টুটুল ও রতন শেখকে।
তাদের মধ্যে উজ্জ্বল হোসেন ও রতন শেখ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।

Please Share This Post in Your Social Media

যশোরে ১৯ ভরি স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবলসহ চারজন গ্রেপ্তার

আপডেট: ১১:২৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সদরের রাজারহাটে পুলিশ পরিচয়ে এক জুয়েলারি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৯ ভরি স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় এক কনস্টেবলসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যশোর। গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫) দুপুরে যশোরের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম লস্কর সোহেল রানার আদালতে তাদের তোলা হলে কনস্টেবল রায়হানুল হক ও মাহিন রহমান শাওন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন বলে নিশ্চিত করেছেন যশোর ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) অলোক কুমার দে।

এর আগে সোমবার রাতভর সাতক্ষীরার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার কনস্টেবল রায়হানুল হক সাতক্ষীরার দেবহাটা থানায় কর্মরত ছিলেন। তিনি কুষ্টিয়ার মীরপুর উপজেলার আবুরী গ্রামের মল্লিকপাড়ার বাসিন্দা।
অন্য গ্রেপ্তাররা হলেন– সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দক্ষিণ কাঠিয়ার গৌরাঙ্গ সরকার, ইটাগাছা ঘোষপাড়ার বিকাশ মজুমদার বাবু এবং উত্তর পলাশপোল এলাকার মাহিন রহমান শাওন।

এসআই অলোক জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাজারহাটে জুয়েলারি ব্যবসায়ী সুধীর কুমার দাসকে থামিয়ে পুলিশ পরিচয়ে তার কাছ থেকে ১৯ ভরি সোনার গহনা লুটে নেওয়া হয়। পরে ২০ সেপ্টেম্বর এ ঘটনার সূত্র ধরে ঢাকা ও যশোর থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের নাম জানায়।

তাদের দেওয়া তথ্যে সোমবার রাতে সাতক্ষীরায় একযোগে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির এসআই অলোক কুমার দে জানান, এই চক্রের সঙ্গে পুলিশের আরও একজন সদস্য জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তাকে ধরতে অভিযান চলছে।

তিনি আরও বলেন, “গ্রেপ্তার হওয়া বিকাশ মজুমদার একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী। তার মাধ্যমেই চক্রের অন্য সদস্যরা জানতে পারে যে, সুধীর কুমার দাস যশোর থেকে স্বর্ণ নিয়ে ফিরছেন। পরে পথেই তাকে আটকে লুট করা হয়।”

ডিবির তথ্যমতে, এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ঢাকা থেকে উজ্জ্বল হোসেন ও নিশান হোসেন এবং যশোর থেকে মুসাব্বির হোসেন টুটুল ও রতন শেখকে।
তাদের মধ্যে উজ্জ্বল হোসেন ও রতন শেখ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।