নড়াইলে নদী ভাঙ্গন রোধ কাজে খুশি হলেও আরো বরাদ্দের দাবি এলাকাবাসীর
- আপডেট: ০৩:০২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
- / ১৮২

নড়াইল প্রতিনিধিঃ প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয় নড়াইল জেলার নদী পাড়ের বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের গ্রামের বসতবাড়ি, পাকারাস্তা, কবরস্থানসহ বিভিন্নগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এ বছরও নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে বিভিন্ন এলাকা। তবে যথাসময়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যবস্থা গ্রহনে রক্ষা পেয়েছে বেশ কিছু বসতভিটা, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
তবে বরাদ্দ না থাকায় অনেক এলাকায় এখনো নদী ভাঙ্গন রোধে কাজ শুরু হয়নি। জরুরী কাজের বরাদ্দ বৃদ্ধিসহ নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি এলাকাবাসির।
নড়াইল জেলা মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নবগঙ্গা, মধুমতী ও চিত্রা নদীর দুই পাড়ের বেশ কিছু এলাকা প্রতিবছর বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী সময়ে নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। বিশেষ করে কালিয়া উপজেলার দেওয়াডাঙ্গা, পার বিষ্নুপুর গ্রাম। লোহাগড়া উপজেলার ইতনা, শালনগর, কোটাখোল, জয়পুর, মৌলভীধানাইড়, শিয়েরবর, রামকান্তপুর, সদর উপজেলার রতডাঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙ্গনের ঝুকিপূর্ন। প্রতিবছর নদী গর্ভে বিলিন হয় ফসলী জমি, বসতভিটা, রাস্তা ঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এ বছরের বর্ষাকালে তার ব্যতিক্রম হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,নদী ভাঙ্গন রোধে ইতিমধ্যে জেলার বেশ কিছু এলাকায় ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এ ছাড়া আকর্ষিকভাবে কোন এলাকায় নদী ভাঙ্গন দেখা দিলে ভাঙ্গন রোধে নেয়া হয় জরুরি ব্যবস্থা। তবে নড়াইলে যে পরিমান এলাকায় নদী ভাঙ্গন হয়, পযাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় সকল এলাকায় নদী ভাঙ্গন রোধে কাজ হয় না।
গত ২৮আগষ্ট নড়াইলের কালিয়া উপজেলার দেওয়াডাঙ্গা গ্রাম ও পার বিষ্ণুপুর গ্রাম পরিদর্শন করে জানা যায়, কয়েকদিন আগে হঠাৎ করে এলাকায় নদী ভাঙ্গন দেখা দেয়। সংবাদ জানতে পেরে পানি উন্নয়ন বোর্ড সাংবাদিকদের জানান দ্রুত নদী ভাঙ্গন রোধের কাজ শুরু করবেন।
নবগঙ্গা নদীর ভাঙ্গন কবলিত দেওয়াডাঙ্গা গ্রাম ও পার বিষ্ণুপুর গ্রামের বাসিন্দা ইকবাল বিশ্বাস, মোকলেস বিশ্বাস, ইমারুল বিশ্বাস, চায়না বেগম, পারভিন বেগম, বলেন আমাদের গ্রামের ঈদগা কবরস্থান মসজিদ খেলার মাঠ এমনকি বসতবাড়ি নদী ভাঙ্গনের কবলে আমরা হারাতে বসেছি তাই সরকারের কাছে আমাদের আকুল আবেদন এই নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাদ চাই। তবে নবগঙ্গা নদীতে এখন যে স্রোত তাতে এখানে স্থায়ী বাধ দেয়ার জন্য জোর দাবি করছি। ইমারুল বিশ্বাস বলেন “আধা ঘন্টার মধ্যে নদী ভাঙ্গনে আমার বাড়ির দুইটা ঘর এই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে আমি একদম নিঃস্ব হয়ে গেছি বাপ-দাদার কবরটাও বিলীন হয়ে গেছে।।
নড়াইলের জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নদী ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।













