০৬:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

খাগড়াছড়িতে বজ্রপাতে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:২৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৪

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।।
খাগড়াছড়িতে পৃথক বজ্রপাতে একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জেলার মহালছড়ি ও সদর উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি ইউনিয়নের ৩ নম্বর পুনর্বাসন পাড়ার বাসিন্দা উসিমং মারমা (৫৫) ও তাঁর স্ত্রী চাইয়্যাং মারমা (৪৫)। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যার দিকে বৃষ্টির সময় উসিমং মারমা বাড়ির উঠানে গোসল করছিলেন। তাঁর স্ত্রী চাইয়্যাং মারমা তখন বাড়ির বারান্দায় কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বাড়ির ছাদের ওপর স্থাপিত বৈদ্যুতিক সোলারে বজ্রপাত হয়। এতে সোলারে আগুন ধরে যায় এবং বজ্রপাতের আঘাতে ঘটনাস্থলেই স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়।

বজ্রপাতের পর সোলারে আগুন ধরে তা বাড়িতেও ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

মাইসছড়ির পুনর্বাসন এলাকার কার্বারি নয়ন কুমার ত্রিপুরা বলেন, সন্ধ্যার দিকে বজ্রপাতে তাঁর এলাকার এক দম্পতি মারা গেছেন। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে।
নিহত দম্পতির বড় ছেলে আখ্র মারমা বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বৃষ্টির সময় তাঁর বাবা উঠানে গোসল করছিলেন এবং মা বারান্দায় কাজ করছিলেন। তখন বাড়ির ছাদের ওপর থাকা বৈদ্যুতিক সোলারে বজ্রপাত হলে বাবা-মা দুজনই ঘটনাস্থলে মারা যান।

এদিকে একই সময়ে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের নোয়াপাড়া এলাকায় বজ্রপাতে মঙ্গল শোভা চাকমা ওরফে বিদেশী চাকমা (৩৮) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত ইউএনও) নুসরাত জাবীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভাইবোনছড়ার নোয়াপাড়ায় একজন নারী এবং মাইসছড়ির পুনর্বাসন এলাকায় স্বামী-স্ত্রী—মোট তিনজন বজ্রপাতে মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

খাগড়াছড়িতে বজ্রপাতে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের মৃত্যু

আপডেট: ১১:২৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।।
খাগড়াছড়িতে পৃথক বজ্রপাতে একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জেলার মহালছড়ি ও সদর উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি ইউনিয়নের ৩ নম্বর পুনর্বাসন পাড়ার বাসিন্দা উসিমং মারমা (৫৫) ও তাঁর স্ত্রী চাইয়্যাং মারমা (৪৫)। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যার দিকে বৃষ্টির সময় উসিমং মারমা বাড়ির উঠানে গোসল করছিলেন। তাঁর স্ত্রী চাইয়্যাং মারমা তখন বাড়ির বারান্দায় কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বাড়ির ছাদের ওপর স্থাপিত বৈদ্যুতিক সোলারে বজ্রপাত হয়। এতে সোলারে আগুন ধরে যায় এবং বজ্রপাতের আঘাতে ঘটনাস্থলেই স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়।

বজ্রপাতের পর সোলারে আগুন ধরে তা বাড়িতেও ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

মাইসছড়ির পুনর্বাসন এলাকার কার্বারি নয়ন কুমার ত্রিপুরা বলেন, সন্ধ্যার দিকে বজ্রপাতে তাঁর এলাকার এক দম্পতি মারা গেছেন। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে।
নিহত দম্পতির বড় ছেলে আখ্র মারমা বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বৃষ্টির সময় তাঁর বাবা উঠানে গোসল করছিলেন এবং মা বারান্দায় কাজ করছিলেন। তখন বাড়ির ছাদের ওপর থাকা বৈদ্যুতিক সোলারে বজ্রপাত হলে বাবা-মা দুজনই ঘটনাস্থলে মারা যান।

এদিকে একই সময়ে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের নোয়াপাড়া এলাকায় বজ্রপাতে মঙ্গল শোভা চাকমা ওরফে বিদেশী চাকমা (৩৮) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত ইউএনও) নুসরাত জাবীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভাইবোনছড়ার নোয়াপাড়ায় একজন নারী এবং মাইসছড়ির পুনর্বাসন এলাকায় স্বামী-স্ত্রী—মোট তিনজন বজ্রপাতে মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।