০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আলফাডাঙ্গায় ভূয়া পাইলস ও পলিপাস চিকিৎসককে তিন মাসের কারাদণ্ড।

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১২৩

বিশ্বজিৎ বসু, স্টাফ রিপোর্টার : ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক ভূয়া পাইলস ও পলিপাস চিকিৎসককে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে আলফাডাঙ্গা বাজারের ঢাকা স্টান ডেন্টাল ক্লিনিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এম কে এম রায়হানুর রহমান এ অভিযান পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দন্ত মেডিকেল এবং ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর ২২ ধারা মোতাবেক নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার লাহুড়িয়া গ্রামের মৃত লুলু শেখের পুত্র মো. জাহিদুল ইসলাম (৩২) নিজেকে ডেন্টাল সার্জন পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলফাডাঙ্গা বাজারে অবৈধভাবে রোগী দেখতেন। তিনি পাইলস ও পলিপাসসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

এ সংক্রান্ত গ্রামের সংবাদ পত্রিকায় দুই ভাই ভূয়া চিকিৎসক সেজে রোগীদের সাথে প্রতারণা অভিযোগ শিরোনামে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এসময় প্রয়োজনীয় সনদপত্র প্রদর্শনে ব্যার্থ হলে আদালত তাকে তিন মাসের বিনা শ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জাহিদুল ইসলাম বর্তমানে আলফাডাঙ্গা থানা হেফাজতে রয়েছেন এবং তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম কে এম রায়হানুর রহমান বলেন,অবৈধভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা মানুষের জীবন নিয়ে খেলাধুলা করার সামিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারক ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকারও আহ্বান জানাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

আলফাডাঙ্গায় ভূয়া পাইলস ও পলিপাস চিকিৎসককে তিন মাসের কারাদণ্ড।

আপডেট: ০৯:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

বিশ্বজিৎ বসু, স্টাফ রিপোর্টার : ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক ভূয়া পাইলস ও পলিপাস চিকিৎসককে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে আলফাডাঙ্গা বাজারের ঢাকা স্টান ডেন্টাল ক্লিনিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এম কে এম রায়হানুর রহমান এ অভিযান পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দন্ত মেডিকেল এবং ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর ২২ ধারা মোতাবেক নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার লাহুড়িয়া গ্রামের মৃত লুলু শেখের পুত্র মো. জাহিদুল ইসলাম (৩২) নিজেকে ডেন্টাল সার্জন পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলফাডাঙ্গা বাজারে অবৈধভাবে রোগী দেখতেন। তিনি পাইলস ও পলিপাসসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

এ সংক্রান্ত গ্রামের সংবাদ পত্রিকায় দুই ভাই ভূয়া চিকিৎসক সেজে রোগীদের সাথে প্রতারণা অভিযোগ শিরোনামে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এসময় প্রয়োজনীয় সনদপত্র প্রদর্শনে ব্যার্থ হলে আদালত তাকে তিন মাসের বিনা শ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জাহিদুল ইসলাম বর্তমানে আলফাডাঙ্গা থানা হেফাজতে রয়েছেন এবং তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম কে এম রায়হানুর রহমান বলেন,অবৈধভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা মানুষের জীবন নিয়ে খেলাধুলা করার সামিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারক ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকারও আহ্বান জানাচ্ছি।