০৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

১৮ বছর আগে বরখাস্ত: ৩২৮ জনকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৪১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২০৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ১৮ বছর আগে বরখাস্ত হওয়া ৩২৮ জন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করার নির্দেশ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে। এই রায় আপিল বিভাগের ১৭ পাতার, যা প্রকাশিত হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে।

আইন অনুযায়ী এদের মধ্যে মারা যাওয়া তিনজনের পরিবারকে প্রাপ্য সুবিধাদি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ রায়ে তাদের সকল সুযোগ সুবিধা ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আপিল বিভাগ তার পর্যবেক্ষণে বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা ছিলো স্বাধীন, সার্বভৌম ক্ষমতার ওপর অসাংবিধানিক হস্তক্ষেপ।

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন জোট সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া ৩২৮ জন কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়।

২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ও চারটি পৃথক রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

ওই দিন (১ সেপ্টেম্বর ২০২২) ৩২৮ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের জন্য ইসিকে দেওয়া ট্রাইব্যুনালের রায় বাতিল করেছিলেন আপিল বিভাগ। তবে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে গত বছর সুপ্রিম কোর্টে বরখাস্ত কর্মকর্তাদের পক্ষে একটি আপিল এবং চারটি রিভিউ পিটিশন দাখিল করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালের ২৫ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ট্রাইব্যুনালের রায় স্থগিত করে আদালতে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলেন।

এরপর ২০১০ সালের ১২ ডিসেম্বর, তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ, চেম্বার বিচারপতির আদেশ বহাল রেখে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

১৮ বছর আগে বরখাস্ত: ৩২৮ জনকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ

আপডেট: ০৩:৪১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ১৮ বছর আগে বরখাস্ত হওয়া ৩২৮ জন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করার নির্দেশ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে। এই রায় আপিল বিভাগের ১৭ পাতার, যা প্রকাশিত হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে।

আইন অনুযায়ী এদের মধ্যে মারা যাওয়া তিনজনের পরিবারকে প্রাপ্য সুবিধাদি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ রায়ে তাদের সকল সুযোগ সুবিধা ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আপিল বিভাগ তার পর্যবেক্ষণে বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা ছিলো স্বাধীন, সার্বভৌম ক্ষমতার ওপর অসাংবিধানিক হস্তক্ষেপ।

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন জোট সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া ৩২৮ জন কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়।

২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ও চারটি পৃথক রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

ওই দিন (১ সেপ্টেম্বর ২০২২) ৩২৮ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের জন্য ইসিকে দেওয়া ট্রাইব্যুনালের রায় বাতিল করেছিলেন আপিল বিভাগ। তবে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে গত বছর সুপ্রিম কোর্টে বরখাস্ত কর্মকর্তাদের পক্ষে একটি আপিল এবং চারটি রিভিউ পিটিশন দাখিল করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালের ২৫ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ট্রাইব্যুনালের রায় স্থগিত করে আদালতে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলেন।

এরপর ২০১০ সালের ১২ ডিসেম্বর, তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ, চেম্বার বিচারপতির আদেশ বহাল রেখে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।