০৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

কালির দাগ না শুকাতেই আমরা ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট উদ্বোধন করেছি-আইন মন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • /

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেন একটি কথা বলতে চাই কালির দাগ না শুকাতেই আমরা ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট উদ্বোধন করেছি।

কালির দাগ না শুকাতেই আমরা ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য মাসিক ভাতার পাইলট প্রজেক্ট চালু করেছি। কালির দাগ না শুকাতেই আমরা কৃষকের ১০হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করেছি। আজকে আমাদের আর একটি গৌরবময় দিন, যে দিনে বাংলাদেশের অর্থনীতির মেইন চালিকাশক্তি কৃষকদের হাতে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেয়ার পাইলট প্রজেক্ট উদ্বোধন করেছি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে কৃষি কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ যে, বাংলাদেশশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় যে উদ্বোধন কর্মসূচি হয়েছে তার মধ্যে শৈলকুপা উপজেলাও আছে।

আলহামদুলিল্লাহ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই কারণে কৃতজ্ঞ যে, আমরা যে ইউনিয়নে আজকে এটি উদ্বোধন করলাম সে ইউনিয়নের ১হাজার ৬৮০জন কৃষকের মাঝে আজকে কৃষি কার্ড পৌঁছে দিলাম।

কৃষি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেসময় উপস্থিত ছিলেন, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান, জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল মজিদ, পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ আফজাল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামান, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সারাদেশে কৃষকদের মাঝে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার মোট ২হাজার ২৬০জন কৃষকের হাতে কৃষি কার্ড ও একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়েছে। যে কার্ডের মাধ্যমে বছরে একজন কৃষক ২হাজার ৫০০টাকা পর্যন্ত কৃষি সহায়তা পাবেন। এর অংশ হিসেবে শৈলকুপা উপজেলার ১হাজার ৬৮০জন কৃষক কৃষি কার্ডের আওতায় এসেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

কালির দাগ না শুকাতেই আমরা ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট উদ্বোধন করেছি-আইন মন্ত্রী

আপডেট: ০৭:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেন একটি কথা বলতে চাই কালির দাগ না শুকাতেই আমরা ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট উদ্বোধন করেছি।

কালির দাগ না শুকাতেই আমরা ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য মাসিক ভাতার পাইলট প্রজেক্ট চালু করেছি। কালির দাগ না শুকাতেই আমরা কৃষকের ১০হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করেছি। আজকে আমাদের আর একটি গৌরবময় দিন, যে দিনে বাংলাদেশের অর্থনীতির মেইন চালিকাশক্তি কৃষকদের হাতে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেয়ার পাইলট প্রজেক্ট উদ্বোধন করেছি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে কৃষি কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ যে, বাংলাদেশশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় যে উদ্বোধন কর্মসূচি হয়েছে তার মধ্যে শৈলকুপা উপজেলাও আছে।

আলহামদুলিল্লাহ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই কারণে কৃতজ্ঞ যে, আমরা যে ইউনিয়নে আজকে এটি উদ্বোধন করলাম সে ইউনিয়নের ১হাজার ৬৮০জন কৃষকের মাঝে আজকে কৃষি কার্ড পৌঁছে দিলাম।

কৃষি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেসময় উপস্থিত ছিলেন, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান, জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল মজিদ, পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ আফজাল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামান, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সারাদেশে কৃষকদের মাঝে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার মোট ২হাজার ২৬০জন কৃষকের হাতে কৃষি কার্ড ও একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়েছে। যে কার্ডের মাধ্যমে বছরে একজন কৃষক ২হাজার ৫০০টাকা পর্যন্ত কৃষি সহায়তা পাবেন। এর অংশ হিসেবে শৈলকুপা উপজেলার ১হাজার ৬৮০জন কৃষক কৃষি কার্ডের আওতায় এসেছেন।