০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে ৪ জন নিহত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / ১৮৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে গোপালগঞ্জ শহর। এনসিপির নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন পুলিশ, সাংবাদিকসহ শতাধিক ব্যক্তি।

নিহতরা হলেন- জেলা শহরের উদয়ন রোডের সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (২৫), শহরের থানাপাড়ার কামরুল কাজীর ছেলে রমজান কাজী (২৪) ও সদর উপজেলার আড়পাড়া এলাকার আজাদ তালুকদারের ছেলে ইমন তালুকদার (১৮) ও সোহেল রানা মোল্লা (৩০)।

বুধবার বিকালে গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস, বিকালে তিনজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তারা গুলিবিদ্ধ ছিলেন। আরও ৯ জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের অস্ত্রোপচার চলছে।

এদিকে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বুধবার সন্ধ্যায় প্রেস উইংয়ের পাঠানো বার্তায় এ কথা জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়, আজ বুধবার রাত ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি চলবে।

এর আগে বিকালে জেলা প্রশাসন পরস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেছিল।

এর আগে গোপালগঞ্জে সভা শেষে ফেরার পথে শহরের লঞ্চ ঘাট এলাকায় গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা চালায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা। এ সময় গোপালগঞ্জ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটে।

দুপুর ২টার পর পৌর পার্কের উন্মুক্ত মঞ্চে এনসিপির সভা শুরুর আগে বেলা দেড়টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে এক দফা হামলার ঘটনা ঘটে।

Please Share This Post in Your Social Media

গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে ৪ জন নিহত

আপডেট: ০৮:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে গোপালগঞ্জ শহর। এনসিপির নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন পুলিশ, সাংবাদিকসহ শতাধিক ব্যক্তি।

নিহতরা হলেন- জেলা শহরের উদয়ন রোডের সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (২৫), শহরের থানাপাড়ার কামরুল কাজীর ছেলে রমজান কাজী (২৪) ও সদর উপজেলার আড়পাড়া এলাকার আজাদ তালুকদারের ছেলে ইমন তালুকদার (১৮) ও সোহেল রানা মোল্লা (৩০)।

বুধবার বিকালে গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস, বিকালে তিনজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তারা গুলিবিদ্ধ ছিলেন। আরও ৯ জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের অস্ত্রোপচার চলছে।

এদিকে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বুধবার সন্ধ্যায় প্রেস উইংয়ের পাঠানো বার্তায় এ কথা জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়, আজ বুধবার রাত ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি চলবে।

এর আগে বিকালে জেলা প্রশাসন পরস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেছিল।

এর আগে গোপালগঞ্জে সভা শেষে ফেরার পথে শহরের লঞ্চ ঘাট এলাকায় গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা চালায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা। এ সময় গোপালগঞ্জ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটে।

দুপুর ২টার পর পৌর পার্কের উন্মুক্ত মঞ্চে এনসিপির সভা শুরুর আগে বেলা দেড়টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে এক দফা হামলার ঘটনা ঘটে।