০২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

শার্শায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
  • /

শাহাবুদ্দিন আহামেদ : মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে শার্শা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় শার্শা উপজেলা বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান লিটন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ খায়রুজ্জামান মধু এবং বেনাপোল পৌর বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দিন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম বাবু, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন, যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজ জোহা সেলিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সেলিম হোসেন আশা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পারুল খাতুনসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে এক অনন্য নেতৃত্বের প্রতীক। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দেশপ্রেম এবং উন্নয়নমুখী চিন্তাধারা আজও দেশের মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে রয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ নুরুজ্জামান লিটন বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন আজও কোটি মানুষের অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর স্বপ্ন ছিল একটি স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

বিশেষ অতিথি আলহাজ খায়রুজ্জামান মধু বলেন, “জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

বক্তারা আরও বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তবে তাঁর আদর্শ, সততা, দেশপ্রেম ও নেতৃত্বগুণ নতুন প্রজন্মের জন্য চিরন্তন প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এই সংস্করণটি স্থানীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশের উপযোগী সংবাদধর্মী ভাষায় প্রস্তুত করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

শার্শায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

আপডেট: ০২:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

শাহাবুদ্দিন আহামেদ : মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে শার্শা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় শার্শা উপজেলা বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান লিটন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ খায়রুজ্জামান মধু এবং বেনাপোল পৌর বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দিন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম বাবু, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন, যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজ জোহা সেলিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সেলিম হোসেন আশা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পারুল খাতুনসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে এক অনন্য নেতৃত্বের প্রতীক। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দেশপ্রেম এবং উন্নয়নমুখী চিন্তাধারা আজও দেশের মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে রয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ নুরুজ্জামান লিটন বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন আজও কোটি মানুষের অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর স্বপ্ন ছিল একটি স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

বিশেষ অতিথি আলহাজ খায়রুজ্জামান মধু বলেন, “জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

বক্তারা আরও বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তবে তাঁর আদর্শ, সততা, দেশপ্রেম ও নেতৃত্বগুণ নতুন প্রজন্মের জন্য চিরন্তন প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এই সংস্করণটি স্থানীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশের উপযোগী সংবাদধর্মী ভাষায় প্রস্তুত করা হয়েছে।